দুর্গার চাষির বেশ

একঝলক দেখলে মনে চাষি পরিবারের লোকজন। গামছার মতো খাটো করে ধুতি পরে রয়েছেন কার্তিক, গণেশ। মাথায় চাষিদের মতো করে পাগড়ি বাঁধা। দেবী দুর্গা সহ লক্ষ্মী, সরস্বতীকে খাটো করে শাড়ি পরানো হয়েছে চাষিদের বাড়ির মেয়ে-বউদের মতো।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৫ ০২:২৫
Share:

একঝলক দেখলে মনে চাষি পরিবারের লোকজন। গামছার মতো খাটো করে ধুতি পরে রয়েছেন কার্তিক, গণেশ। মাথায় চাষিদের মতো করে পাগড়ি বাঁধা। দেবী দুর্গা সহ লক্ষ্মী, সরস্বতীকে খাটো করে শাড়ি পরানো হয়েছে চাষিদের বাড়ির মেয়ে-বউদের মতো। মাথায় ঝুলছে গামছা। দেব-দেবীর মুকুটে গোঁজা ধান। পিছনের দৃশ্যপটে ধানের গোলা। চাষির বেশে দুর্গা প্রতিমা গড়ে এবার এভাবেই চমক দিয়েছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের দক্ষিণী যুগদর্শী ক্লাব। এবার ওই ক্লাবের পুজোর থিম—মা আসছেন নবান্নের দেশে। ষষ্ঠীর বিকেল গড়াতেই দর্শনার্থীদের ভিড় মণ্ডপে।

Advertisement

মণ্ডপেও রয়েছে চমক। দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের আদলে ৫০ ফুট লম্বা ও ৪০ ফুট চওড়া বাঁশের তৈরি মণ্ডপে ঢোকার সময় দেখা যাবে দেবী দুর্গা ছাড়াও রাধা-কৃষ্ণের প্রতিচ্ছবি। ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মানিক দাস বলেন, ‘‘এলাকার ৯০ শতাংশ মানুষ কৃষিজীবী। তাই এটাই আমরা চেয়েছিলাম।’’

হরিশ্চন্দ্রপুরের ওই পুজো ছাড়াও চাঁচলে বড় বাজেটে পুজোর আয়োজন করেছে বিবেকানন্দ স্মৃতি সংসদ। অসমের বাঁশ দিয়ে জমিদার বাড়ির আদলে তৈরি মণ্ডপ দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। ওই ক্লাবের প্রতিমাও রীতিমতো আকর্ষণীয়। এ ছাড়া রয়েছে জমকালো আলোও। ছিমছাম দর্শনীয় মণ্ডপ হয়েছে মৈত্রী সংসদের পুজোয়। সুইমিং পুলের ধারে ওই পুজোর বাড়তি আকর্ষণ মনোরম পরিবেশ। নবীন সঙ্ঘের পুজোয় রথারোহী দেবী প্রতিমাও নজর কেড়েছে দর্শনার্থীদের। দক্ষিণপাড়া মহিলা সমিতির পুজোর মণ্ডপও দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। মণ্ডপ সজ্জায় বাঁকুড়ার পোড়া মাটির কারুকাজ মণ্ডপসজ্জায় অভিনবত্ব নিয়ে এসেছে। এ ছাড়া ইয়ুথ ক্লাব ও পূর্বাচল ক্লাবের দেবী প্রতিমা প্রতি বছরের মতো এবারও দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement