দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুরিন্দর সিংহ অহলুওয়ালিয়ার সমর্থনে শিলিগুড়িতে প্রচারে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। পূর্ব ঘোষণা অনুসারে ঠিক হয়েছে ১০ এপ্রিল শিলিগুড়িতে সভা করতে আসছেন মোদী। তার আসার প্রচারও শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রার্থী অহলুওয়ালিয়ার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পোস্টার তৈরি করে প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু হাতে কয়েকদিন মাত্র সময় থাকলেও এখনও সভার জায়গা ঠিক করতেই হিমশিম খাচ্ছে বিজেপি। অহলুওয়ালিয়া তারিখ ও সময় লিখে প্রচার শুরু করলেও সভার জায়গা এখনও স্থির করতে পারেননি। তিনটি জায়গা দেখা হলেও শেষ পর্যন্ত তার কোনওটিই ঠিক করতে পারেননি তাঁরা। বিজেপি নেতৃত্বের আশা ৭ লক্ষ লোক গোটা উত্তরবঙ্গ থেকে সভায় আসবে। ফলে বড় জায়গা খুঁজছেন তাঁরা। এ দিকে জায়গা পেতে দেরি হলে প্রশাসনিক সহায়তা পেতে সমস্যা হতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে। বিজেপির উত্তরবঙ্গের কো অর্ডিনেটর পার্থ ঘোষ এখনও সভার জায়গা ঠিক করতে না পারায় উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, “৫ থেকে ৭ লক্ষ লোক সভায় আসার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। আমরা সে কারণেই উদ্বিগ্ন যে এত লোকের জন্য কোথায় জায়গা খুঁজব।” বেশ কয়েকটি জায়গা দেখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সবই শহরের বাইরে। তবু তাও পাওয়া যাবে কিনা নিশ্চিত নয়। এ ব্যপারে আশাবাদী প্রার্থী অহলুওয়ালিয়া। তিনি বলেন, “এখনও হাতে সময় রয়েছে। তার মধ্যেই কোনও একটা উপায় বের হয়ে যাবে।” অসুবিধাকে ইতিবাচক ভাবে নিচ্ছেন বিজেপি জেলা সভাপতি রথীন্দ্র বসুও। তিনি বলেন, “প্রচুর লোক বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে। এ নিয়ে একটা সাড়া পড়ে গিয়েছে। এটা একটা ভাল দিক।”
তিনটি জায়গা নিয়ে ধন্দে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। প্রথমে ঠিক হয় কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সভা করা হবে। পরে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা নিয়ে আপত্তি ওঠায় স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা বাতিল হয়। ইন্দিরা ময়দানে ঠিক করা হয়েছিল। সেখানেও রাস্তার ধারে সভা করার অনুমতি পাওয়া নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তার পরে ঠিক করা হয় কাওয়াখালিতে একটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমিতে সভা করা হবে। সেটারও মঙ্গলবার পর্যন্ত অনুমতি পাওয়া যায়নি। ফলে সভাস্থলের বিষয়টি বিশ বাঁও জলে। দু একদিনের মধ্যে ঠিক না হলে প্রশাসনিক অনুমতি পেতেও সমস্যা হয়ে যাবে। এত বড় সভার জন্য যথেষ্ট সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী, পুলিশ দিতে হবে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার জগ মোহন বলেন, “আমাদের সভার তারিখ ও সময় জানালে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব। তবে এত বড় সভায় কয়েকদিন আগে জানতে পারলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে সুবিধা হয়।”