বালুরঘাট-হিলিকে করিডোর করে বাংলাদেশ হয়ে মেঘালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি তুললেন দু’প্রান্তের নাগরিকরা। শনিবার বিকেলে বালুরঘাট বিএড কলেজের সভাগৃহে বালুরঘাট-মেঘালয় যৌথ আন্দোলন কমিটি আয়োজিত নাগরিক কনভেনশনে ওই যোগাযোগ তৈরির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি ওঠে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির সমর্থন মিলেছে বলে যৌথ আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস দাবি করেন।
তিনি জানান, দেশভাগের আগে হিলি সীমান্ত দিয়ে তখনকার দার্জিলিং মেলে চেপে বালুরঘাটের মানুষ মাত্র ছ’ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছতেন। ওই রেলপথ দিয়েই কোচবিহার,অসম ও মেঘালয়ের বাসিন্দারা কলকাতা পর্যন্ত খুব অল্প সময়ে যাতায়াত করতেন। কিন্তু দেশভাগের পর ওই রেলপথ বাংলাদেশের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ সহজ যোগাযোগের সুযোগ হারান। যা দক্ষিণ দিনাজপুর ও মেঘালয়ের উন্নতির পথেও অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তাদের দাবি।
আলোচনা সভায় বক্তাদের দাবি, মেঘালয়ের তুরা থেকে কলকাতার দূরত্ব প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার। মহেন্দ্রগঞ্জ হয়ে ভায়া বাংলাদেশ হিলি-বালুরঘাট হয়ে কলকাতার দূরত্ব কমে দাঁড়াবে প্রায় ৯০০ কিলোমিটারে। যেমন কলকাতা-ঢাকা বাস চালু হয়েছে, তেমনি দু’দেশের সম্মতিক্রমে ওই পথে যোগাযোগের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন কমিটির সদস্যরা। দাবির সপক্ষে এ দিনের আলোচনাচক্র থেকে রাষ্ট্রপতি, মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।