বকেয়া নিয়ে দিশাহীন নিগম কর্মীরা

একে জানুয়ারির পেনশন মেলেনি। তার উপর আগের ১১ মাসের বকেয়া পঞ্চাশ শতাংশ টাকাও মেটানো হচ্ছে না। ফলে পেনশন খাতে এনবিএসটিসির বকেয়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি টাকার বেশি। অভিযোগ, তার পরেও কবে পেনশনের ওই বকেয়া টাকা মেটানো হবে, তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:৪১
Share:

একে জানুয়ারির পেনশন মেলেনি। তার উপর আগের ১১ মাসের বকেয়া পঞ্চাশ শতাংশ টাকাও মেটানো হচ্ছে না। ফলে পেনশন খাতে এনবিএসটিসির বকেয়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি টাকার বেশি। অভিযোগ, তার পরেও কবে পেনশনের ওই বকেয়া টাকা মেটানো হবে, তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না। সোমবার কোচবিহারে অবসরপ্রাপ্ত নিগম কর্মীদের সংগঠন এনবিএসটিসি রিটায়ার্ড স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলনে ওই বকেয়া মেটানোর দাবিতে বৃহত্তর মঞ্চ গড়ে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Advertisement

নিগমের রিক্রিয়েশন হলে আয়োজিত ওই সম্মেলনের উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১ মাস প্রায় তিন হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীকে মাত্র পঞ্চাশ শতাংশ টাকা পেনশন দেওয়া হয়েছে। ওই খাতে বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ কোটি টাকা। এত দিনেও ওই টাকা মেটানো হয়নি। কবে মেটানো হবে, সেটাও স্পষ্ট করে নিগম কর্তারা জানাচ্ছেন না। তার উপর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও জানুয়ারির পেনশনও কেউ পাননি। এ জন্য দরকার প্রায় ৩ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা। সংগঠনের উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি সুজিত সরকার বলেন, “পেনশন খাতে বকেয়া বেড়ে ১৬ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। দ্রুত সমস্ত বকেয়া না মেটানো হলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের সব সংগঠনকে এক জোট করে বৃহত্তর মঞ্চ করে আন্দোলনে নামা হবে। ওই কর্মসূচি নেওয়ার ব্যাপারে এ দিনের সম্মেলনে সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

এনবিএসটিসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুবলচন্দ্র রায় বলেন, “জানুয়ারির পেনশনের বরাদ্দ এখনও পাইনি। আগের বকেয়া পেনশন মেটাতেও বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। টাকা এলেই মেটানো হবে।” এ ছাড়াও ওই সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের গ্র্যাচুইটি, লিভ-স্যালারি-সহ অন্যান্য বকেয়া মেটানো, একক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বদলে যৌথ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পেনশন প্রদান, বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মেটানোর দাবিও তোলা হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement