সাপের ছোবলে মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে গ্রামবাসীদের কাছে দাবি করেছিল ছেলে ও পুত্রবধূ। মায়ের ডান পায়ে ক্ষত চিহ্নও দেখিয়েছিলেন গ্রামবাসীদের। তবে শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশের জেরায় স্বীকার করতে বাধ্য পহলেন, শ্বাসরোধ করেই বৃদ্ধা মা গীতারানি শীলকে খুন করেছেন তাঁরা। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। বছর ষাটের ওই বৃদ্ধা মালদহের বামনগোলা থানার নালাগোলার দ্বন্দ্বহারা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে তাঁর স্বামী বাদল শীল বছর দশেক আগে মারা গিয়েছেন। ছেলে, ছেলের বউ এবং দুই নাতিকে নিয়ে থাকতেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গীতারানিদেবীর ছেলের নাম বিপ্লব শীল নালাগোলাতে একটি সেলুন চালান। বছর ১৩ আগে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা শিবানী সরকারের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। তাঁদের একটি ১২ এবং ১০ বছরের ছেলে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই শ্বাশুড়ি ও পূত্রবধূর মধ্যে বচসা লেগেই থাকত। এমনকী, তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১২টা নাগাদ ফের তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেই সময় বিপ্লব তাঁর মায়ের মুখ চেপে ধরে বলে অভিযোগ। পরের দিন সকালে বিপ্লব গ্রামবাসীর কাছে দাবি করেন সাপের কামড়ে গীতারানিদেবীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে ঘটনাটি জানান। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।