পাহাড়ের সিদ্রাপং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে পুরোদস্তুর পযর্টন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতে উদ্যোগী হলেন জিটিএ কতৃর্পক্ষ।
সোমবার এলাকাটিতে পৌঁছনোর জন্য আলাদা পথ তৈরির কাজের শিলান্যাস করেছেন জিটিএ কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, গোটা দেশের মধ্যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ঘিরে পযর্টন কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা এই প্রথম। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। সম্প্রতি ১৮৯৭ সালে তৈরি কেন্দ্রটিকে ঢেলে সাজার সিদ্ধান্ত নেন জিটিএ কতৃপক্ষ। দার্জিলিং থেকে ন’কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এলাকাটিতে পৌঁছনোর জন্য বিকল্প রাস্তার কাজ এ দিন শুরু হল। রক গার্ডনের কাছ থেকে আড়াই কিলোমিটারের রাস্তাটি অরেঞ্জ ভ্যালি চা বাগান হয়ে সিদ্রাপঙে পৌঁছবে। এ ছাড়াও মঙ্গলপুরী হয়ে আর্য চা বাগান হয়ে আরেকটি রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। সেটিরই এ দিন শিলান্যাস হয়েছে। গোটা প্রকল্পের জন্য প্রায় ১২ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দও করা হয়েছে।
জিটিএ সদস্য বিনয় তামাঙ্গ জানিয়েছেন, সিদ্রাপং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এশিয়ার প্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বৃটিশেরা একে ব্যবহার করেছেন। পরবর্তীকালে তা ধীরে ধীরে অবহেলার শিকার হয়। শহরের খুব কাছে এত সুন্দর জায়গাকে আমরা ফেলে রাখতে পারি না। তাই কেন্দ্রটিকে নতুন করে সাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুটি বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। দুই জায়গা দিয়েই কেন্দ্রটিকে পৌঁছাতে ন’কিলোমিটার রাস্তা পার হতে হবে। এলাকায় দুটি জলাশয়ের সংস্কার, পার্কিং এরিয়া তৈরি হবে। ছয়টি কটেজও তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।