পদ্ম-প্রার্থী প্রেমচাঁদই

গত কয়েকদিন ধরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে চর্চায় ছিলেন প্রেমচাঁদ। রেলশহরে দলের বিধায়ক প্রতিনিধি প্রেমচাঁদকে প্রার্থী করতে খোদ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ চেষ্টা করছিলেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০১৯ ০১:২০
Share:

প্রেমচাঁদ ঝা। নিজস্ব চিত্র

নির্বাচন নির্ঘণ্ট ঘোষণার এক সপ্তাহের মাথায় প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। শনিবার সন্ধ্যায় খড়্গপুর বিধানসভা উপ-নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রেমচাঁদ ঝা-র নাম ঘোষণা করা হয়।

Advertisement

গত কয়েকদিন ধরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে চর্চায় ছিলেন প্রেমচাঁদ। রেলশহরে দলের বিধায়ক প্রতিনিধি প্রেমচাঁদকে প্রার্থী করতে খোদ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ চেষ্টা করছিলেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর। অবশ্য সম্ভাব্য তালিকায় শহর ও রাজ্যস্তরের আরও নাম ছিল। প্রেমচাঁদ এ দিন শহরে ছিলেন না। বিজেপির রাজ্য নেতা তুষার মুখোপাধ্যায় বলেন, “সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর নাম থাকায় হয়তো নাম ঘোষণায় দেরি হয়েছে। তবে প্রার্থী হিসাবে যাঁর নাম ঘোষণা হয়েছে, তাঁর হয়েই দলের সকলে লড়াই করবে।”

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রেলশহরের দশবারের বিধায়ক প্রয়াত জ্ঞানসিংহ সোহন পালকে হারিয়ে জেতেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপি বিধায়কের প্রতিনিধি হন প্রেমচাঁদ। সে থেকেই দিলীপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি প্রেমচাঁদের। গত লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর কেন্দ্রে দিলীপকে প্রার্থী করে বিজেপি। জিতে সাংসদও হয়েছেন দিলীপ।

Advertisement

বিজেপি কর্মীদের একাংশ মনে করাচ্ছেন, ২০০৬ সালে আরজেডি ও ২০১১ সালে বিজেপির হয়ে লড়ে সমর্থন পাননি প্রেমচাঁদ। তাঁকে ঘিরে ক্ষোভও রয়েছে। বিজেপির এক কর্মীর কথায়, “আগেই ঠিক করেছিলাম প্রেমচাঁদ ঝা প্রার্থী হলে নোটায় ভোট দেব। এ বার প্রেমচাঁদের বিরুদ্ধে প্রচার শুরু করব।” ইতিমধ্যে মনোনয়ন তুলে জামানত জমা করা বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা প্রদীপ পট্টনায়েকও বলছেন, “দিলীপ ঘোষের পছন্দে প্রার্থী হয়েছে। বিজেপি বাঁচাও কমিটি গড়ে আমি নির্দল হিসাবে লড়ব।” বিজেপি-র এই দ্বন্দ্বের ফায়দা তারাই পাবে বলে আশা তৃণমূলের। দলের প্রার্থী প্রদীপ সরকার বলেন, “প্রেমচাঁদ ঝা-কে খড়্গপুরের মানুষ মেনে নেবেন না।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement