SIR in West Bengal

বহুতলে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র নিয়ে সাত জেলা থেকে জমা পড়ল প্রস্তাব, কোন জেলার ক’টি আবাসন তালিকায়?

রাজ্যের বহুতল আবাসনগুলিতে পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরি করার উদ্দেশ্যে ডিইও-দের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠক করতে গত মাসে কলকাতায় আসেন ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৭
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

রাজ্যের সাত জেলা থেকে ৬৯টি বহুতলে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি নিয়ে প্রস্তাব জমা পড়ল। বহুতল আবাসনগুলিতে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলেছিল নির্বাচন কমিশন। কলকাতায় এসে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)-দের সঙ্গে বৈঠক করে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। সেই মতো প্রস্তাব জমা পড়ল।

Advertisement

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতায় দু’টি, উত্তর কলকাতায় আটটি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৫টি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২২টি, হাওড়ায় চারটি, পূর্ব বর্ধমানে তিনটি, হুগলিতে পাঁচটি আবাসনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি নিয়ে প্রস্তাব জমা পড়েছে।

রাজ্যের বহুতল আবাসনগুলিতে পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরি করার উদ্দেশ্যে ডিইও-দের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠক করতে গত মাসে কলকাতায় আসেন জ্ঞানেশ। তিনি দু’টি রিপোর্ট দিতে বলেন। একটিতে দিতে হবে, ৩০০ জন ভোটার রয়েছেন এমন বহুতলের তালিকা। আর একটি ৫০০ জন বা তার বেশি বহুতল-ভোটারের তালিকা নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে।

Advertisement

তার আগে বহুতলে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করা নিয়ে জেলাশাসকদের সময় বেঁধে দিয়েছিল কমিশন। নতুন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরিতে কেন মাত্র দু’টি আবেদন জমা পড়ল, সেই প্রশ্নও উঠেছিল। কমিশন জানিয়ে দেয়, নতুন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করা নিয়ে ডিইও-দের উদাসীন মনোভাব রয়েছে। এই কাজে তাঁদের সমীক্ষার অভাব রয়েছে বলেও জানায় কমিশন।

কমিশনের তরফে এর আগে রাজ্যের সিইও-কে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়েছিল, ডিইও-দের নতুন করে সমীক্ষা করে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রস্তাবিত বুথের তালিকা জমা দিতে হবে। অন্যথায় কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

অভিজাত আবাসনের বাসিন্দাদের অনেকেই ভোটের দিনে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ভোটকেন্দ্রে যান না বলে অভিযোগ। সে কারণেই কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভাবনা ছিল, কোনও আবাসনে ৩০০-র বেশি ভোটার থাকলে সেই আবাসন চত্বরের ভিতর পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরি করে দেওয়া হবে। ২৫০টি পরিবার অথবা ৫০০ জন ভোটার রয়েছেন, এমন গ্রুপ হাউজ়িং সোসাইটি, কলোনি, বস্তি এলাকাতেও ভোটকেন্দ্র তৈরির বিষয়ে সমীক্ষা করতে হবে ডিইও-দের। শুরু থেকে সেই ভাবনায় আপত্তি জানায় তৃণমূল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement