প্রতীকী ছবি
করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে রাজ্য পুলিশের ১৩ নম্বর সশস্ত্র ব্যাটালিয়নে। বড়জোড়ার ঘুটগোড়িয়া এলাকায় ওই ব্যাটালিয়ানের দফতর। বাঁকুড়ার জেলাশাসক এস অরুণপ্রসাদ বলেন, “১৩ নম্বর ব্যাটালিয়নে বেশ কয়েক জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের সেখানেই সেফ হোমে নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে। আপাতত ওই ব্যাটালিয়নের কর্মীদেরও বাজার এলাকায় না আসার জন্য বলা হয়েছে।” তবে মোট ক’জন আক্রান্ত, তা নির্দিষ্ট ভাবে জানাননি তিনি।
১৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের কর্মীদের মধ্যে করোনা সংক্রমনের জল্পনা বড়জোড়া এলাকায় চলছিল গত কয়েক দিন ধরেই। বড়জোড়া ষোলোআনা কমিটি ও বড়জোড়া চেম্বার অব কমার্সের তরফে আগাম ঘোষণা করে রবিবার ও সোমবার স্থানীয় বাজার ও দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বড়জোড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ়ের সহ-সম্পাদক তুষার মুখোপাধ্যায় বলেন, “মুদিখানা, মিষ্টির দোকান, গুমটি প্রভৃতি বন্ধ রাখা হয়েছে। ওষুধ দোকান অবশ্য স্বাভাবিক নিয়মেই খোলা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশেষ প্রয়োজন হলে তাঁরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জিনিসপত্র কিনতে পারেন। তবে দোকান খোলা হবে না।”
বাঁকুড়া জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তথা বড়জোড়ার তৃণমূল নেতা সুখেন বিদ বলেন, “করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা দানা বেঁধেছে বড়জোড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে। আমরাও প্রশাসনিক ভাবে এলাকায় লকডাউনের সিদ্ধান্তের প্রস্তাব জেলাশাসককে দিয়েছিলাম। স্থানীয় মানুষজনের যাতে সমস্যা না হয়, সে দিকে নজর রাখছি।”
জেলাশাসক অবশ্য বলেন, “বড়জোড়ায় লকডাউন করার মত পরিস্থিতি এখনও হয়নি। তবে এলাকার অবস্থার উপরে আমরা নজর রাখছি।” বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা বড়জোড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান অলক মুখোপাধ্যায় এ দিন বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে মানুষজনকে সচেতন করেন।