দুর্নীতির নালিশ

১০০ দিন প্রকল্পে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলল বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। সোমবার নলহাটি ১ বিডিও-র কাছে ওই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানালেন নলহাটি বিধানসভার ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী দীপক চট্টোপাধ্যায়-সহ বাম নেতারা। দীপকবাবুর অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল পরিচালিত কুরুমগ্রাম পঞ্চায়েতের ধরমপুর গ্রামে ১০০ দিন প্রকল্পে একের পর এক দুর্নীতি চলছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০১৬ ০২:০৮
Share:

১০০ দিন প্রকল্পে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলল বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। সোমবার নলহাটি ১ বিডিও-র কাছে ওই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানালেন নলহাটি বিধানসভার ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী দীপক চট্টোপাধ্যায়-সহ বাম নেতারা। দীপকবাবুর অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল পরিচালিত কুরুমগ্রাম পঞ্চায়েতের ধরমপুর গ্রামে ১০০ দিন প্রকল্পে একের পর এক দুর্নীতি চলছে। সরকারি প্রকল্পে এলাকাবাসীকে বঞ্চিত করে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য এবং তাদের নেতা কর্মীরা টাকা লুঠছে। তৃণমূল ভুয়ো মাস্টাররোল তৈরি করে কাজ না করে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছে বলে বাম নেতৃত্বের দাবি। দীপকবাবুর আরও দাবি, সম্প্রতি এলাকার তিনটি প্রকল্পে ৮ লক্ষেরও বেশি টাকার কাজে এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রমাণ মিলেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিডিও-র কাছে তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার দাবি জানান তিনি। এ দিন অভিযুক্ত তৃণমূল সদস্য অশোক মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পরিবার থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় তিনি বাড়িতে নেই। তবে এখন কুরুমগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের কবিতা মণ্ডলের দাবি, ‘‘পঞ্চায়েত সদস্য এবং সুপারভাইজাররা আমাকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে মাস্টাররোল এবং মেজারমেন্ট বইয়ে সই করেছেন। পঞ্চায়েত নির্মাণ সহায়কও এ ব্যাপারে আমাকে কিছু জানাননি।’’ সই করার কথা স্বীকার করে নিয়ে পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক কামারুজ্জামান শেখের যুক্তি দিয়েছেন, ‘‘ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় সুপারভাইজারদের দেওয়া মাস্টাররোল, মেজারমেন্ট বুকে সই করেছিলাম।”

Advertisement

যদিও বিডিও কিংশুক রায় জানিয়ে দিয়েছেন, এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রকল্পের কাজে যাতে কেউ হাত দিতে না পারে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement