টুকরো খবর

আতসবাজি তৈরির সময়ে বিস্ফোরণে আহত দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হল। শুক্রবার দুপুরে বীরভূমের মাড়গ্রামে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। আহত হয় তিন শিশু-সহ চারজন। তাদের মধ্যে শনিবার ভোরে বর্ধমান মেডিক্যালে আজমুদ্দিন সেখ নামে সাড়ে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। বাকি দুই শিশুকে বর্ধমান থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে পথে আজমুদ্দিন সেখের সাড়ে তিন বছরের বোন খালেদা খাতুনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাড়গ্রামের ছোটডাঙাল পাড়ার বাসিন্দা নফর সেখ ওই আতসবাজি তৈরি করছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
শেষ আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০১৪ ০০:০২
Share:

বাজি বিস্ফোরণে মৃত্যু দুই শিশুর

Advertisement

আতসবাজি তৈরির সময়ে বিস্ফোরণে আহত দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হল। শুক্রবার দুপুরে বীরভূমের মাড়গ্রামে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। আহত হয় তিন শিশু-সহ চারজন। তাদের মধ্যে শনিবার ভোরে বর্ধমান মেডিক্যালে আজমুদ্দিন সেখ নামে সাড়ে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। বাকি দুই শিশুকে বর্ধমান থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে পথে আজমুদ্দিন সেখের সাড়ে তিন বছরের বোন খালেদা খাতুনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাড়গ্রামের ছোটডাঙাল পাড়ার বাসিন্দা নফর সেখ ওই আতসবাজি তৈরি করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বীরভূমের জেলাশাসক পি মোহন গাঁধী জানিয়েছেন, সাধারণত দেওয়ালির সময় আতসবাজি তৈরির জন্য অস্থায়ী ভাবে অনুমতি দেওয়া হয়। তবে মাড়গ্রামের ওই বাড়িতে আতসবাজি তৈরির কোনও অনুমতি ছিল কি না তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এসডিপিও (রামপুরহাট) কোটেশ্বর রাও অবশ্য দাবি করেছেন, “ওই পরিবার অবৈধ ভাবে আতসবাজি তৈরি করছিল। বাড়ির মালিক পালিয়ে গিয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি মামলা রুজু করেছে।”

Advertisement

নিষ্ফলা বৈঠক

অভ্যন্তরীণ পড়ুয়াদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে সংরক্ষণের নিয়ম পুনর্বহালের দাবিতে অচলাবস্থা জারি রইল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সমস্যার সমাধানে শনিবার স্কুল স্তরের পড়ুয়া, তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য সুশান্ত দত্তগুপ্ত। কিন্তু তার পরেও কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। এ দিনই সকালে আবার বিশ্বভারতীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়ারা কালো কাপড় দিয়ে মুখ বন্ধ রেখে আশ্রম চত্বরে একটি মৌনী মিছিল করেছেন। তাঁরা সংরক্ষণ বহাল রাখার পাশাপাশি আন্দোলনে যুক্ত কয়েক জন ছাত্রের বিরুদ্ধে জারি করা সাসপেনশনের নোটিস প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement