—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
রাজ্যে পালাবদলের পরেই ডিসিআর কাটার দায়িত্ব জেলা প্রশাসন নিজেদের হাতে নিয়েছে। এর ফলে পাথর বোঝাই ট্রাক ও ডাম্পার থেকে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়েছে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। অবৈধ পাথর ও বালি বোঝাই ট্রাক-ডাম্পার থেকে জরিমানা বাবদ মোটা অঙ্কের রাজস্ব আদায় হয়েছে বীরভূমে।জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত, গত সাত দিনে অবৈধ ও অতিরিক্ত পাথর বোঝাই যান থেকে জরিমানা হয়েছে ৩২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা।
নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাথর-বালি লুট ও অবৈধ কারবার নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে। গত শুক্রবার দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক শেষেও পাথর-বালি থেকে ‘লিকেজ’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জেলাজুড়ে অবৈধ উত্তোলন ও পাচার রুখতে কড়া অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। অবৈধ বালি, পাথর পাচার রুখতেও নজরদারি শুরু হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে এখন বৈধ বালি ঘাটের সংখ্যা ৫০। তার বাইরে অবৈধ বালি ঘাট থেকে বালি বোঝাই হয়ে পাচার হচ্ছে কি না এবং পাথর বোঝাই যান ডিসিআর ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে কি না, তা দেখতেই বীরভূমের বিভিন্ন সড়ক (যে পথ দিয়ে পাথর ও বালি পরিবহণ করা হয়), সেখানেই নজরদারি চালাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট দফতর, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা।
নিয়ম না মেনে অবৈধ ঘাট থেকে বালি বোঝাই, উপযুক্ত চালান ছাড়াই বালি বহন, অতিরিক্ত বালি বহনের এবং ডিসিআর ফাঁকি দিয়ে পাথরের গাড়ি ধরা হচ্ছে রাতে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত দিনে মোট ৩০৮টি গাড়ি পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে নিয়মবহির্ভুত ভাবে বালি-পাথর বহনের জন্য ৩৯টি গাড়িকে চিহ্নিত করে ৩২ লক্ষ টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে। সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘লাগাতার এই অভিযান চলবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে