—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
নিত্যদিন আকণ্ঠ পান করে বাড়ি ঢোকেন। তা-ই নিয়ে অশান্তি পরিবারে। সোমবার রাতেও তা-ই করেছিলেন দীপঙ্কর লেট। ঝগড়া হতেই স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। ওই নিয়ে শোরগোল বীরভূমের নলহাটিতে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, অগ্নিদগ্ধ বধূর নাম রূপালি লেট। সোমবার রাতে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ঘুমোচ্ছিলেন। সেই সময়ে মত্ত অবস্থায় বাড়িতে ঢোকেন রূপালির স্বামী দীপঙ্কর। স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি। বধূর চিৎকার-চেঁচামেচিতে প্রতিবেশীরা ছুটে যান দীপঙ্করদের বাড়িতে। তাঁরা দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন রূপালিকে। বধূকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নলহাটি ব্লক হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। কিন্তু রূপালির শারীরিক অবস্থা দেখে রামপুরহাট সরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে বধূর।
অন্য দিকে, ওই ঘটনার খোঁজখবর করে অভিযুক্ত দীপঙ্করকে আটক করেছে নলহাটি থানার পুলিশ। বিষয়টি জানিয়ে নলহাটি থানায় অভিযোগ করেন বধূর বাপের বাড়ির লোকজন।
অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ জানান, তাঁর স্বামী প্রায়শই মত্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে অশান্তি করতেন। এমনকি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দিতেন। সোমবার রাতে তার দুই সন্তানের সামনেই তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন স্বামী।