Mukutmanipur Death Case

মুকুটমণিপুরে জলাধার থেকে উদ্ধার দেহ! পাড়ে পড়ে থাকা মোবাইলের সাহায্যে মৃতকে শনাক্ত করল পুলিশ

পুলিশ খোঁজখবর করে জানতে পেরে রবিবার দুপুরে দুর্গাপুরের অরবিন্দনগরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তার পর থেকে তাঁর আর খোঁজ পায়নি পরিবার। পুলিশে জানানো হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫০
Share:

সোমবার দুপুরে মুকুটমণিপুরের জলাধার থেকে একটি দেহ উদ্ধার হয়। —নিজস্ব ছবি।

রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মুকুটমণিপুরের জলাধার থেকে উদ্ধার হল পশ্চিম বর্ধমানের এক বাসিন্দার দেহ। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম বিশ্বজিত ঘোষ। বয়স ৪০ বছর।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার সকালে জলাধারের পাড়ে একটি সাইকেল এবং মোবাইল ফোন পড়ে ছিল। সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের চোখে পড়ে সেটা। তাঁরা সাইকেল এবং মোবাইলের মালিকের খোঁজ না পেয়ে স্পিডবোট নিয়ে জলাধারে তল্লাশি চালান। পুলিশের পরামর্শে দীর্ঘ ক্ষণ তল্লাশি চলে। তার পর এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের পরিচয়ও জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার দুপুরে দুর্গাপুরের অরবিন্দনগরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তার পর থেকে তাঁর আর খোঁজ পায়নি পরিবার। পুলিশে জানানো হয়। বিশ্বজিতের মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পারে তিনি বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে রয়েছেন। সকালে মুকুটমণিপুর জলাধারের ধারে মোবাইল এবং সাইকেল দেখে একে একে দুই করে নেয় পুলিশ। দুপুরে জলাধারের লকগেটের সামনে গভীর জল থেকে বিশ্বজিতের দেহ উদ্ধার করতে সমর্থ হন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। দেহটি পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁরা। পুলিশ বিশ্বজিতের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে।

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, জলাধারে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই যুবক। তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। সিভিল ডিফেন্সের কর্মী অভয় পাত্র বলেন, ‘‘পুলিশের তরফে খবর পাওয়ার পর আমরা জলাধারে তল্লাশি শুরু করি। প্রায় দেড় ঘণ্টা তল্লাশি চালানোর পর জলাধারের লকগেটের সামনে দেহ খুঁজে পাই। বাকিটা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement