বৃষ্টি হওয়ায় স্বস্থি। ছবি: বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী।
প্রখর সূর্ষের তাপ। সঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। জোড়া ফলায় প্রাণান্তকর পরিস্থিতি জেলার বাসিন্দাদের। কাগজে কলমে দক্ষিণবঙ্গে যে বর্ষা এসেছে, বোঝা দায়।জুনের মাঝামাঝি সময়ে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৩৭-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকালেই বাইরে বের হলে মনে হচ্ছে, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। সঙ্গে ঘাম। সব মিলিয়ে বাইরে বেরোলেই কাহিল পড়ছেন সকলে।
দিন কয়েক আগেই বর্ষা প্রবেশ করেছে রাজ্যে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গেও বর্ষা ঢুকছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে, তার প্রতিফলন বিশেষ নেই। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বিকেলের দিকে পৌঁছে যায় ৯৭ শতাংশে। তবে, প্রায় দু’দিন পরে এ দিন বিকেলের দিকে জেলার কিছু এলাকায় হালকা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় একটু হলেও স্বস্তি মিলেছে। চলতি সপ্তাহে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।
প্রসঙ্গত, এপ্রিল জুড়ে মাঝেমধ্যে ঝড়বৃষ্টির সৌজন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিতই ছিল। মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে চেনা গরম ফিরেছে। মাঝে দু-এক দিন বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও সূর্য উঠতেই আগের পরিস্থিতি। গ্রীষ্মের ছুটি কাটিয়ে ১ জুন থেকে স্কুল খুললেও প্রবল গরমের জন্য ১৫ জুন পর্যন্ত সকালে স্কুল করার নির্দেশ দিতে হয়েছে শিক্ষা দফতরকে। এই ব্যবস্থা ৩০ জুন পর্যন্ত বজায় থাকবে।
তবু স্কুল থেকে ফেরার পথে পড়ুয়াদের কষ্ট হচ্ছে। কষ্ট হচ্ছে তাঁদের, যাঁদের প্রতিদিন পথে নেমে কাজ করতে হচ্ছে। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে জনকল্যাণ শিবির। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে প্রতিটি শিবিরে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন। গরমে তাঁদের অবস্থাও করুণ। বিশেষ করে শিশুকোলে বহু মহিলা শিবিরে আসছেন। হাঁসফাঁস অবস্থা তাঁদের।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, যতটা সম্ভব রোদ এড়িয়ে চলা। এই সময়ে পেটের রোগ, অতিরিক্ত ঘামের জন্য শরীরে জলশূন্যতা, মাথায় যন্ত্রণার মতো উপসর্গের পাশাপাশি হিট স্ট্রোক হতে পারে। তাই সতর্কতা জরুরি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে