Summer Camps

পড়ুয়াদের এগিয়ে দিতে স্কুলে স্কুলে ‘সামার ক্যাম্প’

কুলুপুকুর, মাজুরিয়া, মড়ার লায়েকপাড়া, দুন্দুর, কুলাইজুড়ি, লাউবাগান ইত্যাদি ২২টি পাড়ায় মড়ার সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের মাধ্যমে চলছে এই ক্যাম্প।

অভিজিৎ অধিকারী

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৫ ০৭:২৭
Share:

পড়ুয়াদের শরীরচর্চা কুলাইজুড়িতে। নিজস্ব চিত্র।

গ্রীষ্মের এক মাসের ছুটিতে অনেকেই খেলেধুলে বেড়াচ্ছিল। পিছিয়ে পড়া সেই সব ছেলমেয়েদের ‘সামার ক্যাম্প’-এ টেনে এনে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে এগিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিষ্ণুপুরের কয়েকটি স্কুল। পাশে রয়েছে বিভিন্ন স্কুলের প্রাক্তনীরা।

গ্রীষ্মাবকাশে শহরাঞ্চলে বেসরকারি উদ্যোগে সামার ক্যাম্প-এর চল থাকলেও গ্রামাঞ্চলে তেমনটা নেই। তাই জেলার সমগ্র শিক্ষা মিশন এবং বিষ্ণুপুরের মড়ার সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নিখরচায় এক মাসের বিশেষ শিবির।

কুলুপুকুর, মাজুরিয়া, মড়ার লায়েকপাড়া, দুন্দুর, কুলাইজুড়ি, লাউবাগান ইত্যাদি ২২টি পাড়ায় মড়ার সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের মাধ্যমে চলছে এই ক্যাম্প। পাঠ্য বিষয়ের সঙ্গে আবৃত্তি, নাচ-গান, শারীরশিক্ষা, খেলাধূলা সমান তালে চলছে। নিয়মিত পরিদর্শনের দায়িত্বে আছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক-সহ অন্যান্য শিক্ষক ও স্কুল পরিচালন সমিতির কর্মকর্তারা।

এই ধরনের শিবিরে উপকৃত হয়েছে বলে জানাচ্ছে সাহানা খান, ইয়াসিন মণ্ডল, সুলতানা মল্লিকের মতো ছাত্রছাত্রীরা। ছুটির সময় ছেলেমেয়েদের নিয়ে শিবির খোলায় খুশি কুলাইজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা জম্বর মল্লিক, কুতুবুদ্দিন মণ্ডলের মতো অভিভাবকেরা।

যার যতটা ঘাটতি আছে এই এক মাসে তা পূরণ হবে বলেই মনে করছেন মড়ার সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লবকুমার ঘোষ। তিনি বলেন, “অনেকে প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া রয়েছে। প্রতিদিনের অনুশীলনে অনেক সময় তাদের ফাঁকফোকর থেকে যায়। তাছাড়া স্কুলে অনিয়মিত ছাত্রছাত্রীদের স্কুল ছুট কমাতেও এই বিশেষ শিবির কাজে লাগবে। ভালো সাফল্য এসেছে।”

প্রতিদিন সকালে ঘণ্টা তিন-চারেক ধরে এই শিবির চলছে। রবিবার সকালে কুলাইজুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল, খুদে পড়ুয়ারা গাছের নীচে শরীরচর্চা করছে। ঘুঘুডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক পাঠদান করছিলে প্রাক্তন ছাত্রী সোনালী মণ্ডল। উপর মাজুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খোলা আকাশের নীচে খুদে পড়ুয়াদের গল্প শোনাচ্ছিলেন প্রাক্তন ছাত্রী সুপ্রিয়া কাপড়ি ও বিউটি ঘুঘু। স্থানীয় লাউবাগান প্রাথমিক স্কুলে চলছিল কানামাছি খেলা। এ সবের মাধ্যমে নিজেদের শৈশবকে এলাকার খুদে পড়ুয়াদের মধ্যে খুঁজে পাচ্ছেন ওই প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরাও।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন