Higher Secondary Exam 2026

উচ্চ-মাধ্যমিক: অনৈতিক কাজ রুখতে সর্তক সংসদ

জেলায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার যুগ্ম আহ্বায়ক অভিজিৎ নন্দন জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে ঢোকার জন্যএ বার রাজ্য জুড়ে ৫০ জনের মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হয়েছে।

সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৭
Share:

পরীক্ষর্থীদের সতর্ক করতে স্টিকার স্কুলে। নিজস্ব চিত্র।

সিমেস্টার পদ্ধতিতে প্রথম বার উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের চতুর্থ সিমেস্টারের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ, বৃহস্পতিবার। বুধবার মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হতেই তার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে স্কুলে স্কুলে। মাধ্যমিকে মোবাইল ব্যবহারের প্রবণতা মাথায় রেখে প্রত্যেকটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, আরও কিছু ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

জেলায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার যুগ্ম আহ্বায়ক অভিজিৎ নন্দন জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে ঢোকার জন্যএ বার রাজ্য জুড়ে ৫০ জনের মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হয়েছে। তাই কড়া অবস্থান নিচ্ছে সংসদ। অভিজিৎ জানান, পরীক্ষাকেন্দ্র মোবাইল, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারফোন নিয়ে কোনও পরিক্ষার্থীকে ঢুকতে দেখলেই তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে। তবে বেসিক সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।

সংসদ জানিয়েছে, বৈদ্যুতিন জিনিস ধরার জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা হবে। প্রত্যেক পরীক্ষাকেন্দ্রে অন্তত দু’টি নজর ক্যামেরা থাকতেই হবে। একটি ঢোকার মুখে আর একটি ভেন্যু সুপারভাইজারের ঘরে। অন্তত এক মাস সে ক্যামেরার ভিডিয়ো ফুটেজও রাখতে হবে৷ এর সঙ্গে জুড়েছে ভ্রাম্যমাণ পরিদর্শক।

অভিজিৎ জানান, মাধ্যমিকে এক জন শিক্ষককে মোবাইল ব্যবহার করে উত্তর জানাতে দেখা গিয়েছে। শৌচাগারে ফোন লুকিয়ে রাখার ঘটনাও ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনা আটকাতেই ভ্রাম্যমাণ পরিদর্শক নিযুক্ত করা হচ্ছে৷ যাঁরা পরীক্ষা কেন্দ্রের ঘরে ঘরে পরীক্ষার্থীদের চালচলনের উপর নজরে রাখবেন। শিক্ষকদের কাজকর্ম এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের সমস্ত জায়গা খুঁটিয়ে দেখবেন তাঁরা।

এ বার প্রশ্ন ফাঁস রুখতেও কড়া পদক্ষেপ করেছে সংসদ। ইতিমধ্যেই প্রশ্নপত্র এবং উত্তরপত্র পৌঁছে গিয়েছে নির্দিষ্ট কাস্টডিয়ানদের কাছে। কিন্তু এত দিন সেখানে পরীক্ষাকেন্দ্রের জন্য আলাদা করে প্রশ্নপত্র সাজানোর যে ব্যবস্থা থাকত, তা গত বছর থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, পরীক্ষা শুরুর আগে ভেন্যু সুপারভাইজারের কক্ষে প্রশ্নপত্র খুলে পরীক্ষকের হাতে দেওয়ার যে নিয়ম ছিল, তাও পাল্টে ফেলা হচ্ছে।

সংসদ জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ধাঁচে প্যাকেটে সিল করা প্রশ্নপত্র নিয়েই এ বার পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকবেন পরীক্ষকেরা। সেখানে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতিতেই খোলা হবে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট। গত বছরের মতোই প্রত্যেক প্রশ্নপত্রে আলাদা আলাদা বার কোড এবং কিউআর কোডও থাকবে এবং তার সঙ্গে আরও কিছু বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশ্নপত্রে থাকবে বলেও জানা গিয়েছে।

অভিজিৎ বলেন, “ কয়েক বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অনৈতিক কাজের অভিযোগ ওঠেনি। জেলার এই সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার দায় আমাদের সকলেরই।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন