তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত, আহত দুই

বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘাতকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল সিউড়ির পুরন্দরপুরে। ঘটনায় আহত দু’পক্ষের দু’জন। দু’পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছে। আহতেরা সিউড়ি জেলা হাসপতালে চিকিৎসাধীন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০১৭ ০১:২০
Share:

বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘাতকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল সিউড়ির পুরন্দরপুরে। ঘটনায় আহত দু’পক্ষের দু’জন। দু’পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছে। আহতেরা সিউড়ি জেলা হাসপতালে চিকিৎসাধীন।

Advertisement

বিজেপির অভিযোগ, মঙ্গলবার পুরন্দরপুরে তাঁদের একটি সভা ছিল। ছিলেন জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়। সভার ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এলাকার বিজেপি তপসিলি জাতি উপজাতি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক বিল্বমঙ্গল মাহাড়া। রামকৃষ্ণ রায় বলছেন, ‘‘কেন তৃণমূলের ডেরায় এভাবে বিজেপি সভা করেবে এই কারণেই বিল্বমঙ্গলের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃণূলের লোকেরা। তাঁকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। পেটে ছুরির আধাত লেগেছে।’’ একই দাবি সিউড়ি হাসপাতালে করেছেন আহত বিজেপি নেতাও। তিনি বলেন, ‘‘পুরন্দরপুরের উপ-প্রধান অশ্বিনী মণ্ডল ও কাঞ্চন সাধুর নেতৃত্বে আমার বাড়িতে হামলা হয়। প্রথমে বাড়ির দরজা ভেঙে দেয়। বাড়িতে মেয়ে আছে, বৌ আছে। তাদের গায়ে যাতে হাত না পরে সেই অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু কাঞ্চন সেটা না শুনে এগোতে গেলে আমি বাধা দিই। মারধর করে ওরা।’’

কাঞ্চনবাবু এ দিন মাথায় আঘাত নিয়ে সিউড়ি হাসপতালে ভর্তি হয়েছেন। কথা বলতে পারেননি। ফোন ধরেননি অশ্বিনীবাবু। যদিও বিজেপির ঠিক উল্টো দাবি তৃণমূলের।

Advertisement

তৃণমূলের সিউড়ি ২ ব্লকের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলছেন, ‘‘বিজেপি আদৌ কোনও সভা করেছে বলে জানা নেই। আর দ্বিতীয় কথা কঞ্চনকে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করেছে বিল্বমঙ্গল। সে কারণেই আক্রমণ হয়ে থাকুক। কেউ কারও বাড়িতে গিয়েছে বলে জানা নেই। ঘটনাটি ঘটেছে রাস্তায়।’’

পুলিশ জানিয়েছে, দু’পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যাপারে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement