Ranibandh

জল-রাস্তা চেয়ে সরব মহিলারা

ব্লক অফিসে বিক্ষোভে শামিল রূপালি পাল বলেন, “গ্রামের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। তাই স্কুলের গাড়ি গ্রামে ঢুকতে চায় না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০০
Share:

হেত্যাপাথর নামপাড়া গ্রামের মহিলাদের বিক্ষোভ রানিবাঁধ ব্লক অফিসে। মঙ্গলবার। নিজস্ব চিত্র ।

পানীয় জলের ব্যবস্থা, কাঁচা বেহাল রাস্তা সংস্কার ও পথবাতির দাবিতে রানিবাঁধের ব্লক প্রশাসনে স্মারকলিপি দিলেন মহিলারা। মঙ্গলবার রাজাকাটা পঞ্চায়েতের হেত্যাপাথর নামপাড়া গ্রামের মহিলাদের একাংশ দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে ব্লক অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

হেত্যাপাথর নামপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০টি পরিবারের বসবাস। পানীয় জলের জন্য দু’টি নলকূপ ছিল। বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দু’টি নলকূপই খারাপ পড়ে। নলবাহিত পানীয় জলের একটি কল থাকলেও নিয়মিত জল মেলে না। এমনকি, গত চার দিন ধরে সেখানে জল বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সৌরচালিত পাম্পের সাহায্যে জলের ট্যাঙ্ক বসিয়ে নিয়মিত জল সরবরাহের দাবি তুলেছেন গ্রামের মহিলারা। তাঁদের আরও দাবি, গ্রাম থেকে খাতড়া-রানিবাঁধ রাজ্য সড়কের চোঙার মোড় পর্যন্ত প্রায় দু’কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা ও বেহাল। যাতায়াতে চরম সমস্যা হয়।

ব্লক অফিসে বিক্ষোভে শামিল রূপালি পাল বলেন, “গ্রামের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। তাই স্কুলের গাড়ি গ্রামে ঢুকতে চায় না। আমাদের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতে খুব সমস্যা হচ্ছে। গ্রামের নলকূপগুলিও খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। বহু বার প্রশাসনের কাছে মেরামতের আবেদন জানালেও কাজ হয়নি। এখন পুকুরের জলও প্রায় শুকিয়ে যাচ্ছে। গৃহপালিত পশুদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।” আর এক বাসিন্দা সন্ধ্যা মাহাতোও জানান, রাস্তার গর্তে পড়ে মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটছে। গ্রামে পানীয় জলেরও খুব অভাব। তার উপরে সন্ধ্যা হলে পুরো গ্রাম অন্ধকারে ডোবে। দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ-চালিত পথবাতি বসানোর দাবি জানানো হয়েছে।

বিডিও (রানিবাঁধ) অনিশা যশ বলেন, “দাবিগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পথশ্রী প্রকল্পে ইতিমধ্যে অনেক রাস্তার কাজ হয়েছে। আগামী দিনে আরও কিছু রাস্তার জন্য টাকা বরাদ্দ হবে। এর বাইরে যে সব রাস্তার সমস্যা রয়েছে, সেগুলিও নতুন কোনও প্রকল্প এলে দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থানেওয়া হবে।”

রানিবাঁধ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভীমসেন মণ্ডল বলেন, “রাজ্য সরকার পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে সারা রাজ্যে ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি রাস্তা তৈরি করছে। হেত্যাপাথর গ্রামের একটি রাস্তা ইতিমধ্যে ওই প্রকল্পে ধরা হয়েছে। দরপত্র ডাকার প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। শীঘ্র কাজ শুরু হবে।”

তিনি আরও জানান, পাড়ায় সমাধান প্রকল্পে কয়েকটি সৌরবাতি বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, “কোনও গ্রামে সমস্যার খবর মিললেই ট্যাঙ্কের মাধ্যমে দ্রুত জল পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রশাসন সব সময়ে মানুষের পাশে রয়েছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন