মহকুমার ৮টি ব্লকের বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান, সহ নির্মাণ সহায়ক, এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টদের নিয়ে মঙ্গলবার উন্নয়নমূলক বৈঠক হল রামপুরহাট রক্তকরবী মঞ্চে। মূলত একশো দিন প্রকল্পে শ্রমদিবস তৈরি, কাজের মান, মিশন নির্মল বাংলা এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক খাতে কাজের দক্ষতা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, সব কিছুতে কাজের মানের দক্ষতার দিক থেকে মহকুমার ৮টি ব্লকের মধ্যে মুরারই ১ ও ২ ব্লক এবং নলহাটি ২ ব্লক পিছিয়ে। সে জন্য বৈঠকে উপস্থিত জেলাশাসক থেকে সভাধিপতি, মন্ত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ত্রয়োদশ অর্থ কমিশন এবং পিছিয়ে পড়া এলাকা উন্নয়ন খাতে পনেরো লক্ষের বেশি টাকা যে সমস্ত পঞ্চায়েতে পড়ে আছে ওই সমস্ত পঞ্চায়েতে টাকা খরচের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষমাত্রা বেধে দিল প্রশাসন। এ ছাড়া ইন্দিরা আবাস যোজনায় উপভোক্তার গৃহ নির্মাণের পাশাপাশি শৌচাগার তৈরি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপভোক্তার ঘরের ছবি তুলে প্রশাসনের কাছে পাঠাতে হবে। এ দিকে, এ দিন দুপুরে রক্তকরবী মঞ্চে মহকুমার ৮টি ব্লকের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে বৈঠক করার পর জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা বিকেলে তারাপীঠে সেখানকার উন্নয়ন নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানেও জেলাপরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী-সহ তারাপীঠ–রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, সহকারী চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ছিলেন জেলাশাষক পি মোহন গাঁধী, অতিরিক্ত জেলাশাষক (জেলাপরিষদ) বিধান রায়, মহকুমাশাসক উমাশঙ্কর এস। আশিসবাবু বলেন, ‘‘তারাপীঠের উন্নয়ন নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে তারাপীঠে নদী দূষণ রোধে ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া তারাপীঠের বিভিন্ন লজ, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শ্মশান এলাকা-সহ সব্জি বাজারের ময়লা ফেলা নিয়ে একটি সংস্থাকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার কথা আলোচনা করা হয়। তারাপীঠ থেকে রামপুরহাট রাস্তা বড় করা, রাস্তার দু’পাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা নিয়ে আলোচনা হয়।’’