গানে গানে স্মৃতির পথে হাঁটা। —নিজস্ব চিত্র।
কেউ পেশায় কলেজের অধ্যক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কেউ চিকিৎসক। কেউ বেসরকারি সংস্থার কর্মী, আবার কেউ বা ব্যবসায়ী। কিংবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী। শনিবার সকালে অবশ্য নিজেদের পেশাগত ব্যবধান বা বয়সের গণ্ডী ভেঙে সকলে আবেগে ভাসলেন একসঙ্গে। কারণ ওঁরা যে সকলে সিউড়ির বেণীমাধব ইন্সটিটিউশনের প্রাক্তনী। স্কুলের ১০০ বছর ছুঁয়ে যাওয়ার অনুষ্ঠান উপলক্ষে পুনর্মিলনকে ঘিরে বাঁধ ভাঙল আবেগের। কেউ গান করলেন, কেউ বা স্মৃতিচারণ আবার নিজেদের পেশাগত পরিচয় বাইরে এ দিন যে ওঁরা সকলেই শতাব্দী প্রাচীন স্কুলের ছাত্র।
প্রত্যেকের সঙ্গে যে স্কুল জীবনের নানা স্মৃতি জড়িয়ে। স্কুলের শতবর্ষের উৎসবের সময়ে যদি প্রাক্তনীরা মিলিত হতে পারেন তাহলে দারুন ব্যাপার হবে। মাস ছয়েক আগে স্কুলের এক প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ভূপেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্মশতবর্ষ পালনের উৎসবে মিলিত কয়েকজন প্রাক্তনীরাই ঠিক করে ফেলেছিলেন স্কুলপ্রতিষ্ঠার শতবর্ষে মিলিত হবেন প্রাক্তনীরা। বর্তমানের স্কুলের সম্পাদক তথা বীরভূম মাহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পার্থসারথী মুখোপাধ্যায়, রামপুরহাট কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কল্যাণ কুমার দাস— সেই শুরু পুনর্মিলন উৎসব সুষ্টুভাবে করার পরিকল্পনা করেন। ফোন, পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন, কেবল চ্যালেলে প্রচার এবং বাদ যায়নি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটও। হোয়াটস আ্যাপ গ্রুপ খুলেও প্রচার হয়। চিকিৎসক প্রশান্ত সরকার, সেখানে প্রবীণদের পাশে যোগ দিলেন বিশ্বেশ্বর রুজ, সব্যসাচী ধরের মত নবীনরাও।
বেণীমাধব ইন্সটিটিউশন ১০০ বছরে পা দেবে ১০ জানুয়ারী রবিবার। সেই উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠান হবে। ঠিক তার আগের দুই প্রাক্তনীদের পুনর্মিলনের জন্য ছেড়ে দিয়েছে স্কুল। শুক্রবার ও শনিবার প্রায় ৬০০ জন প্রাক্তনী স্কুলে এলেন স্মৃতি রোমন্থন করে গেলেন। একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া হল। হল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক।