সুসংহত শিশু বিকাশকেন্দ্র তৈরিতে ‘গাফিলতি’র জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সতর্ক করল ব্লক প্রশাসন। শুধু সতর্ক করেই ছেড়ে দেওয়া হয়নি। ‘শাস্তি’ হিসেবে ফের ওই কেন্দ্র এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে লাগোয়া নলকূপটিও সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন বিডিও শমিক পাণিগ্রাহী।
গত এপ্রিল মাসে বোলপুর ব্লকের পাড়ুই থানার কসবা বাগদিপাড়ায় নব নির্মিত সুসংহত শিশু বিকাশ কেন্দ্রের কাজে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নবনির্মিত শিশু বিকাশ কেন্দ্রের ছাদ থেকে জল চুঁইয়ে পড়ছে। নলকূপের গভীরতা কম হওয়ায় জল ঠিক মতো পাওয়া যাচ্ছে না, জলের সঙ্গে বালি, কাদা উঠছে। ওই সব অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ তাদের কাছে পৌঁছলে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সরেজমিন তদন্তে নামে ব্লক প্রশাসন। প্রাথমিক ভাবে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পায় তারা। খোদ বিডিও এলাকায় গিয়ে তদন্ত করেন। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ আছে। তার ‘শাস্তি’ হিসেবে ওই কেন্দ্রকে ফের সংস্কারের নির্দেশ দেন বোলপুরের বিডিও। তবে তার জন্য কোনও বাড়তি অনুদান দিচ্ছে না ব্লক। পূর্ব নির্ধারিত ওই টাকার মধ্যেই সংস্কার করার নির্দেশ দিয়েছে ব্লক প্রশাসন।
বিডিও বলেন, “কসবা বাগদিপাড়ার সুসংহত শিশু বিকাশকেন্দ্রকে ফের সংস্কারের জন্য ওই ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নলকূপও মেরামত করার জন্য বলা হয়েছে। তবে এর জন্য অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হবে না। নির্ধারিত অনুদানের টাকায় কাজ করতে হবে। সেই সঙ্গে আগামীদিনে ফের এই ধরনের অভিযোগ না ওঠে, তার জন্য সতর্কও করা হয়েছে ওই ঠিকাদারকে।’’ অভিযুক্ত ঠিকাদার শেখ রহমান ওরফে জামাল বলেন, “বিডিও-র নির্দেশ পেয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়েছে। সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জল চুঁইয়ে পড়ছিল। বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সংস্কার করেছি। পাশের নলকূপও মেরামত করা হয়েছে।’’