পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

কোথাও প্রয়োজনীয় পরিষেবা মেলে না। কোথাও প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বাসিন্দাদের সঙ্গেই দুর্ব্যবহার করা হয়। রামপুরহাট ১ পঞ্চায়েত সমিতির অধীন বিভিন্ন পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে এ রকমই নানা অভিযোগ তুলে সরব হল কংগ্রেস। শুক্রবার প্রতিকার চেয়ে স্মারকলিপি দিল রামপুরহাট ১ বিডিও-কে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০১৫ ০১:১৫
Share:

কোথাও প্রয়োজনীয় পরিষেবা মেলে না। কোথাও প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বাসিন্দাদের সঙ্গেই দুর্ব্যবহার করা হয়। রামপুরহাট ১ পঞ্চায়েত সমিতির অধীন বিভিন্ন পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে এ রকমই নানা অভিযোগ তুলে সরব হল কংগ্রেস। শুক্রবার প্রতিকার চেয়ে স্মারকলিপি দিল রামপুরহাট ১ বিডিও-কে।

Advertisement

রামপুরহাট ১ ব্লক কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে এ দিনের ওই কর্মসূচিতে ছিলেন দলের রামপুরহাট ১ ব্লক সভাপতি উত্তীয় মুখোপাধ্যায়, জেলা সম্পাদক রহমত আলি খান, রামপুরহাট পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর জামালউদ্দিন, নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্য দোদিল শেখ-সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেসের দাবি, পঞ্চায়েত কাজে গেলে প্রধান এলাকাবাসীর সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেন না। এলাকার গ্রামে গ্রামে পানীয় জলের কষ্ট দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক ঝড়ে পঞ্চায়েত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির মধ্যে বহু পরিবার এখনও তারপোলিন ও ত্রাণ পায়নি। পঞ্চায়েতগুলি পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা বেনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে বলেও কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ। উত্তীয়বাবুরা দাবি করেন, ‘‘কুশুম্বা পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের পম্পা সাহা এলাকাবাসীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন। পঞ্চায়েতে যে কেউ কাজে গেলে প্রধানের ব্যবহারে বিরক্ত হয়ে ফিরে চলে আসেন। অথচ কুশুম্বা ও নারায়ণপুর পঞ্চায়েতে পানীয় জলের সংকট দূর করার জন্য প্রধানরা কোনও পদক্ষেপই করছেন না।’’

অভিযুক্ত প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তৃণমূল নেতাদের মন্তব্যও মেলেনি। তবে, স্মারকলিপির নেওয়ার পরে বিডিও নীতিশ বালা বলেন, ‘‘প্রধানকে ডেকে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করার জন্য বলা হবে। কুশুম্বা ও নারায়ণপুর পঞ্চায়েতে যে সমস্ত গ্রামে পানীয় জলের কষ্ট দেখা দিয়েছে, সেখানে ট্যাঙ্কে করে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে।’’ তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ব্লকের ৭টি গ্রামে ট্যাঙ্কে করে পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ‘‘ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে তারপোলিন দেওয়ার জন্য পঞ্চায়েতগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে জানানো হচ্ছে, সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে তা বিলি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের আর কিছু করা যাবে না।’’ যদিও প্রশ্ন উঠছে, ক্ষতিপূরণের সামগ্রী সঠিক প্রাপকের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা, অভিযোগ পাওয়ার পরেও তা কেন খতিয়ে দেখবে না ব্লক প্রশাসন? সদুত্তর মিলছে না।

Advertisement

উদ্ধারের দাবি। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ এক নাবালিকাকে দ্রুত উদ্ধারের দাবিতে পুরুলিয়া জেলার ওন্দা থানায় বিক্ষোভ দেখিয়ে স্মারকলিপি দিল মহিলা সমিতি। গত ২৭ মে ওন্দার কলাবেড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকারই এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওই নাবালিকাকে পাচারের অভিযোগ দায়ের করে তার পরিবার। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তবে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেয়নি পুলিশ। যা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement