Anandapur Fire Accident

চেক দিলেও অভিযুক্ত সংস্থার প্রতিনিধিরা নেই কেন, উঠছে প্রশ্ন

পূর্ব মেদিনীপুরের ২১ জন নিখোঁজের পরিবারকে বুধবার জেলার বিভিন্ন থানায় ডেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৮
Share:

আনন্দপুরের গুদামে অগ্নিকাণ্ড। ফাইল চিত্র।

নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজদের পরিবারের লোককে থানায় ডেকে পুলিশের সাহায্য বলে কেন অভিযুক্ত দুই সংস্থার চেক দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্ন উঠেছে। নিখোঁজদের পরিজনেদের একাংশ এ বার প্রশ্ন তুললেন, যদি অভিযুক্ত সংস্থাগুলিই টাকা দেয়, তা হলে তাদের প্রতিনিধিরা কেন চেক দেওয়ার সময়ে থাকলেন না?

পূর্ব মেদিনীপুরের ২১ জন নিখোঁজের পরিবারকে বুধবার জেলার বিভিন্ন থানায় ডেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। পাঁচ লক্ষ টাকা করে দু’টি চেক দেওয়া হয়, তাতে যে দু’টি সংস্থার গুদামে আগুন লেগেছিল, তাদেরই কর্তাদের সই রয়েছে। অথচ, তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেন, পুলিশ-পরিবারের তরফেই এই সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।তৃণমূলের তমলুক জেলাসভাপতি সুজিত রায় এ দিন বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য, ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা। এতে কে কী বলল, গুরুত্বদিচ্ছি না।’’

ওই অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ পূর্ব মেদিনীপুরের এক নাবালকের বাবা বলেন, ‘‘পুলিশের তরফে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। তবে চেক পেয়ে দেখি, একটিতে ফুলের ডেকরেটর সংস্থারও অন্যটিতে মোমো সংস্থার সই রয়েছে। কিন্তু সংস্থার প্রতিনিধিরা ছিলেন না।’’ তাঁর ক্ষোভ, ‘‘আগুন লাগার পরে ওই দুই সংস্থার কেউ আমাদের সঙ্গে দেখা করেনি, সহানুভূতিও জানায়নি।ক্ষতিপূরণ দেওয়াই যদি ওদের উদ্দেশ্য হয়, তা হলে নিজেরা হাজির থেকেও দিতে পারত!’’ তমলুকেরনিজ্জত গাড়ুপোতা গ্রামের নিখোঁজ ক্ষুদিরাম দিন্ডার ছেলে নারায়ণ বলছেন, ‘‘চেক জমা দিইনি। টাকার কথা এখন ভাবছি না। বাবাকে ফিরে পাওয়াই লক্ষ্য।’’

বারুইপুরের বাসিন্দা বাসুদেব হালদার ও গড়িয়ার পঙ্কজ হালদার কাজ করতেন পুড়ে যাওয়া মোমো সংস্থার গুদামে। দেহাংশ পেতে বৃহস্পতিবারও থানায় যানবাসুদেবের ছেলে দয়াময় ও পঙ্কজের স্ত্রী মৌসুমী। এই দুই পরিবারও ১০ লক্ষ টাকার চেক পেয়েছে। সেখানে সই রয়েছে মোমো সংস্থারপ্রতিনিধির। তবে মৌসুমী জানান, চেক ব্যাঙ্কে জমা দেননি। আর দয়াময়ের বক্তব্য, ‘‘চেক জমা দিয়েছি।তবে এখন দেহাংশ যাতে আমাদের হাতে তুলে দেয়, সেটাইচাইছি।” পুলিশ জানিয়েছে, শনাক্তকরণের পরে দেহাংশ পরিবারকে দেওয়া হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন