Ram Navami 2026

নির্বাচনের আবহে রামনবমীর ধুম রাজ্য জুড়ে, কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত নবান্নের, মোতায়েন ৩ হাজার পুলিশ

রামনবমীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীও কাজে লাগানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৪:০২
Share:

রামনবমী উপলক্ষে কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। —ফাইল চিত্র।

বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে পালিত হচ্ছে রামনবমী। সেই উপলক্ষে রাজ্য জুড়ে সপ্তাহব্যাপী কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে এই বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, রামনবমীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী কাজে লাগানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্যের ডিজি এবং এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) সহ শীর্ষ আধিকারিকেরা। ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারেরা। বৈঠকের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের অনুমান, ২৬ থেকে ২৯ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন জেলায় রামনবমীর মিছিল অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে কিছু জেলায় এর পরেও সুবিধামতো দিন বেছে কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে। সেই কারণে ২৯ মার্চের পরেও সতর্ক থাকবে পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার হাওড়া, চন্দননগর এবং ইসলামপুরে সর্বাধিক মিছিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, হাওড়ার শিবপুর, হুগলির চন্দননগর ও রিষড়া এলাকায় রামনবমীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। তাই এ বার ভোটের আবহে যাতে কোনও ভাবেই শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেই বিশেষ জোর দিচ্ছে প্রশাসন। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসাবে প্রতিটি মিছিলের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট রুট মেনে মিছিল করতে হবে এবং একেকটি মিছিলে সর্বাধিক ৫০০ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। যে সব জেলায় বেশি সংখ্যায় রামনবমী পালনের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সব এলাকায় বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, নবান্নে একটি কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হবে। কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে এবং সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, উৎসবের আবহে যাতে রাজ্যের সর্বত্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement