7th Pay Commission

সকল শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীকে সপ্তম বেতন কমিশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে চিঠি শিক্ষক সংগঠনের

গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্য বাজেট পেশের সময় মুখ্যমন্ত্রী সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। বিধানসভায় দেওয়া সেই বক্তব্য অনুযায়ী মূলত সরকারি কর্মচারীদের জন্যই এই কমিশনের সুবিধা প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১২:২০
Share:

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় আনার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লিখিত আবেদন জানাল বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মী সমিতি। সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার এই চিঠিটি পাঠানো হয়েছে ।

Advertisement

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্য বাজেট পেশের সময় মুখ্যমন্ত্রী সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। বিধানসভায় দেওয়া সেই বক্তব্য অনুযায়ী মূলত সরকারি কর্মচারীদের জন্যই এই কমিশনের সুবিধা প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং সরকার-পোষিত সংস্থার কর্মীদের বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি বলেই দাবি সংগঠনের। আরও দাবি, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরাও দীর্ঘ দিন ধরে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে কাজ করে চলেছেন। তাঁদের বেতন কাঠামো, আর্থিক নিরাপত্তা এবং কর্মপরিস্থিতির উন্নতির জন্য সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। সংগঠনের বক্তব্য, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে শিক্ষাক্ষেত্রের একটি বড় অংশ বঞ্চিত থাকবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বৈষম্য তৈরি হলে তা কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াতে পারে। তাই অবিলম্বে কমিশনের নির্দেশিকা প্রকাশ করে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-সহ সমস্ত যোগ্য কর্মীকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের নেতা স্বপন মণ্ডল স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত পদক্ষেপ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্য কোষাগার থেকে বেতনপ্রাপ্ত সকল কর্মীকে একসঙ্গে এই সুবিধার আওতায় আনার কথাও বলা হয়েছে। শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের স্বার্থে এই দাবি পূরণ করা হলে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছে সংগঠনটি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement