অনন্ত দেব অধিকারী
ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই গাঁধী মূর্তির পাদদেশে সভামঞ্চে দলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে হাজির ছিলেন ময়নাগুড়ির তৃণমূল বিধায়ক অনন্ত দেব অধিকারীও। সেই মঞ্চ থেকেই ‘চুরি গেল’ তাঁর মানিব্যাগ। ক্ষুব্ধ বিধায়ক সে দিনই ময়দান থানায় অভিযোগ করেন।
পরে ঘনিষ্ঠমহলে বিধায়ক বলেন, ব্যাগে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা, এটিএম কার্ড ও তাঁর পরিচয়পত্র ছিল। ২৮ অগস্টের সেই কর্মসূচির পরে কী হয়েছিল? রাজ্যের প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান অনন্তবাবু বলেন, “অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলে মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে নেমে যান। আমিও নামতে চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। মঞ্চে থাকা অন্য নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে হুড়হুড় করে ছেলের দল উঠছিল তখন। আমি মাঝখানে পড়ে যাই।”
এর পরেই তিনি এক পাশে সরে দাঁড়ান বলে দাবি করেছেন অনন্তবাবু। সেখানেও ঠেলাঠালি চলছিল। কিছু পরে পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিয়ে তিনি দেখেন মানিব্যাগ নেই। বিধায়ক বলেন, “ব্যাগটা তো আর পড়ে যাবে না। পকেটটাও দিব্যি ঠিক আছে। সভার পরে কিছু বহিরাগত মঞ্চে ওঠার সময়ে অসভ্যতা করছিল। আমি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তা জানাব।’’ মঞ্চে থাকাকালীনই যে ব্যাগটি খোয়া গিয়েছে, সেটা তিনি এফআইআর-এও উল্লেখ করেন।
পকেটে টাকা নেই, এটিএম কার্ডও নেই। ফেরার ট্রেনে না খেয়েই থাকতে হত। কিন্তু যিনি ট্রেনে খাবার সরবরাহ করেন, তাঁর সঙ্গে পরিচয় ছিল বিধায়কের। সে জন্য অভুক্ত থাকতে হয়নি শেষ অবধি। তবে বিল বাকি রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তৃণমূলের কোনও নেতা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।