(বাঁ দিকে) উৎপলকুমার সিংহ এবং রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার ‘হাজিরা দিলেন’ লোকসভার সচিবালয়ে। লোকসভার সচিব উৎপলকুমার সিংহের সঙ্গে দেখা করে নিজের ‘অবস্থান’ স্পষ্ট করেছেন বলে ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-র ছাতার তলায় আসা বিদ্রোহী সাংসদ গোষ্ঠীর একটি সূত্র জানিয়েছে।
লোকসভার সচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে রচনা বলেন, ‘‘দিদির সঙ্গে আমার পুরনো সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক অটুট থাকবে। সবাই বলেন, দিদি মানেই তৃণমূল। ঠিকই। তাঁকে দেখেই মানুষ ভোট দেন। কিন্তু আমায় মানুষ ভোট দিয়েছেন তার কারণ আমি চিত্রতারকা বলে নয়। আমায় মানুষ ভোট দিয়েছেন কাজ করার জন্য। যে কাজ গত ১৫ বছরে হয়নি। কাজ করার জন্য কেন্দ্রের সমর্থন দরকার। সেটা খুব জরুরি।’’
গত রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি এবং স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে বৈঠকের পরে তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লকের সাংসদেরা জানিয়েছিলেন, নতুন দল এনসিপিআই-এ যোগ দিচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু সেই দলে ছিলেন না রচনা। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার লোকসভার সচিবের দফতরে গিয়ে হুগলির সাংসদ জানিয়ে এসেছেন, দলত্যাগী ২০ জন তৃণমূল সাংসদের তালিকায় তিনিও রয়েছেন। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ভূপেন্দ্র এবং বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের সঙ্গে পৃথক ভাবে সাক্ষাৎ করেছেন রচনা। প্রসঙ্গত, বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদেরা যে দলে যোগ দিচ্ছেন, নির্বাচন কমিশনের তালিকা অনুযায়ী সেই এনসিপিআই ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি আরইউপিপি (রেজ়িস্টার্ড আন রেকগনাইজ়ড পলিটিক্যাল পার্টি) তালিকাভুক্ত হয়। আরইউপিপি মানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত কিন্তু অস্বীকৃত একটি রাজনৈতিক দল।