—প্রতীকী চিত্র।
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে অনিয়ম আটকাতে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রশংসা করল রাজ্যের মাঝারি ও ছোট নার্সিংহোম এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলির সংগঠন। মার্চ মাসে তাদের রাজ্য সম্মেলনের আগে শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে এখন আর বকেয়া রাখছে না সরকার। তাই ওই প্রকল্পের বাস্তবায়নে গঠনমূলক সহযোগিতার দায়িত্বও তাদের।
যদিও মাঝেমধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগ ওঠে। তা হলে সেগুলির ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? এ দিন ‘প্রোগ্রেসিভ নার্সিংহোম অ্যান্ড হসপিটাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর চেয়ারম্যান শেখ আলহাজউদ্দিনের দাবি, ‘‘আমরা প্রথমে সতর্ক করি। কিন্তু তার পরেও অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে কয়েকটি নার্সিংহোমকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।’’
এ বার নবম রাজ্য সম্মেলনে স্বচ্ছতায় জোর দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক কাঠামোর উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি স্থিতিশীল নিয়ন্ত্রক পরিবেশ গড়ে তোলার উপরে আলোচনা করা হবে বলেই জানানো হয়েছে। আলহাজউদ্দিন বলেন, ‘‘সম্মেলন থেকে আমরা দাবি করব, মাঝারি, ছোট নার্সিংহোম ও কর্পোরেট হাসপাতালের ক্ষেত্রে পৃথক ক্লিনিকাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইন হোক।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে