Digital skills revolution in Bengal

বাংলায় ডিজিটাল স্কিল-বিপ্লব আনতে ওরাকলের সঙ্গে গাঁটছড়া ওয়েবেল-এর, ২০২৯-এর মধ্যে ১৫ হাজার তরুণকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ

মঙ্গলবার নিউ টাউনে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ওয়েবেল-এর সঙ্গে বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা ওরাকলের সহযোগিতায় ২০২৯ সালের মধ্যে রাজ্যের ১৫ হাজার ছাত্রছাত্রী ও কর্মরত পেশাদারদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৩৪
Share:

নিউ টাউনে তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে ওরাকল সংস্থার কর্তারা। —নিজস্ব চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গকে ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত ডিজিটাল প্রতিভার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি দফতর। মঙ্গলবার নিউ টাউনে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের (ওয়েবেল) সঙ্গে বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা ওরাকলের সহযোগিতায় ২০২৯ সালের মধ্যে রাজ্যের ১৫ হাজার ছাত্রছাত্রী ও কর্মরত পেশাদারদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

Advertisement

এই উদ্যোগের আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার সিকিউরিটি ও ডেটা সায়েন্সের মতো উচ্চ-চাহিদাসম্পন্ন ক্ষেত্রে শিল্প-সমন্বিত প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন প্রদানের মতো বিষয়গুলি রাখা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের যোগ্যতা বাড়বে বলে আশা করছে তথ্যপ্রযুক্তি দফতর। কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সচিব শুভাঞ্জন দাস, ওয়েবেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুমন্ত সাহা এবং ওরাকলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ইন্ডিয়া ও নেটসুইট জাপ্যাক) শৈলেন্দ্র কুমার।

মন্ত্রী বাবুল বলেন, ‘‘এই উদ্যোগকে একটি ‘ফিনিশিং স্কুল’ হিসাবে ভাবা হয়েছে। যেখানে ছাত্রছাত্রী ও তরুণ পেশাদাররা শিল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সবচেয়ে আনন্দের বিষয়, এই সমস্ত কোর্স সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।” অপরদিকে, ওরাকল ইন্ডিয়ার প্রধান শৈলেন্দ্র বলেন, ‘‘ এআই ও ক্লাউডপ্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ওরাকল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অ্যাকাডেমিক জ্ঞান ও শিল্পের চাহিদার মধ্যে ব্যবধান ঘোচাতে এই ধরনের কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’’

Advertisement

তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের সচিব শুভাঞ্জন বলেন, ‘‘এই পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারি রাজ্যে স্কিলিং পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে। শিল্পের মান অনুযায়ী তৈরি এই পাঠক্রম প্রতি তিন মাস অন্তর আপডেট করা হবে।’’ অনুষ্ঠানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটি, মাকাউট, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি, ন্যাসকম, ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স এবং বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement