— প্রতীকী চিত্র।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও মহিলা কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রীর বিরোধ ঘিরে নতুন চর্চা শুরু হল কংগ্রেসে। তাঁদের কমিটিতে রদবদল চেয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন এবং তাঁকে হুমকি দিয়ে ‘হেনস্থা’র মুখে ফেলছেন বলে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অবশ্য ‘হেনস্থা’র অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তবে কংগ্রেসের অন্দরে মহিলা সংগঠনের সভানেত্রীর অভিযোগের বয়ান তুলে ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ আসরে নেমে পড়ায় বিষয়টিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হচ্ছে।
মহিলা সংগঠনের নতুন সভানেত্রী হিসেবে শ্রাবন্তী সিংহ দায়িত্ব নেওয়ার পরে সম্প্রতি প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস কমিটি ঘোষিত হয়েছে। নাম ঘোষণা হয়েছে ৩৩টি সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রীদেরও। খড়্গে এবং মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী অলকা লাম্বাকে দেওয়া চিঠিতে শ্রাবন্তীর অভিযোগ, ১৩ জন জেলা সভানেত্রীকে নিয়ে আপত্তি তুলে তাঁদের বদলানোর জন্য প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তাঁর উপরে চাপ সৃষ্টি করছেন। প্রদেশ কংগ্রেস দফতর বিধান ভবনে এই নিয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অসম্মান করেছেন। কী ভাবে তিনি মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদ পেলেন, তা নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। যে ভাবে তাঁকে ‘হেনস্থা’ করা হয়েছে, তার জেরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগ করা হলে তাঁর পরিবারের তরফেও বলা হয়েছে, বিধান ভবনের ঘটনার পরে শ্রাবন্তী মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ও শারীরিক ভাবে অসুস্থ। যদিও প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্করের বক্তব্য, ‘‘মহিলা বা কোনও শাখা সংগঠনের কাজেই প্রদেশ কংগ্রেস হস্তক্ষেপ করে না। হেনস্থার কোনও প্রশ্নই নেই। তবে ভোটের আগে কিছু জেলায় মহিলা সংগঠনের সভানেত্রীদের বদল করায় দলের সংশ্লিষ্ট জেলা সভাপতিরা আপত্তি করেছেন। সেই কথাই জানিয়েছি।’’ তাঁর আরও দাবি, বিধান ভবনের যে ঘরে আলোচনা হয়েছিল, সেখানে সিসিটিভি আছে। ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে, আসলে কী ঘটেছিল!
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে