টুকরো খবর

রাজ্যে চালু হওয়া ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খুলে মানুষের মগজ ধোলাই করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে এক জনসভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। এমনকী এই ওষুধের মানও অত্যন্ত খারাপ বলে অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফের তা কমিয়ে বিক্রি হচ্ছে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানগুলিতে।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ০৩:২৩
Share:

ওষুধ নিয়ে অভিযোগ সূর্যকান্তের
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

Advertisement

রাজ্যে চালু হওয়া ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খুলে মানুষের মগজ ধোলাই করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে এক জনসভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। এমনকী এই ওষুধের মানও অত্যন্ত খারাপ বলে অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফের তা কমিয়ে বিক্রি হচ্ছে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানগুলিতে। তার পর যে ওষুধগুলি বিক্রি করা হচ্ছে সেগুলি অত্যন্ত নিম্নমানের।” আর তা খেয়ে কারও রোগ সারছে না বলেও দাবি করেন তিনি। এ দিন জনসভায় প্রায় ৭ হাজার কর্মী সমর্থকের সামনে এই বক্তব্য পেশ করেন তিনি। জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির দুই বাম প্রার্থী সমন পাঠক ও মহেন্দ্র রায়, প্রাক্তন পুরমন্ত্রী তথা জেলা বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান অশোক ভট্টাচার্য, দার্জিলিং জেলা সিপিএমের সম্পাদক জীবেশ সরকার, দার্জিলিং জেলা সিপিআইয়ের সম্পাদক উজ্জ্বল চৌধুরী সহ স্থানীয় শীর্ষ নেতারা। সভায় উপস্থিত সমস্ত বক্তারাই মূল্য বৃদ্ধি, বিদেশী বিনিয়োগ নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে দুষেছেন। প্রশ্ন ওঠে ঋণে চলা সত্বেও মুখ্যমন্ত্রীর চার্টার্ড ফ্লাইট ব্যবহার করা নিয়েও। সূর্যবাবু আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগেও কংগ্রেস বা বিজেপির সঙ্গে সরকারে সামিল হয়েছিলেন। এখন তাঁদেরই গালিগালাজ করছেন। তাঁর মানসিক স্থিরতার অভাব হয়েছে।” ডুয়ার্স-তরাইয়ের ৭ টি চা বাগান খুলতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী, তিনি নারী নির্যাতনে জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো অনুসারে প্রথম স্থানে নিয়ে এসেছেন বলেও সভায় দাবি করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা নিজের দলের সমর্থকদের সমস্ত জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানান। তৃণমূলের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা এসেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগানোর কথা বলেছেন বিরোধী দলেনতা।

Advertisement

মানবাধিকার কমিশনে নতুন সদস্য নিয়োগ
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

পাঁচ মাস খালি থাকার পরে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে সদস্যের একটি পদ পূরণ হল। মঙ্গলবার রাজ্যের বিচার বিভাগের প্রাক্তন সচিব মণিশঙ্কর দ্বিবেদী বিচার বিভাগীয় সদস্য হিসেবে সেখানে যোগ দেন। অশোক গঙ্গোপাধ্যায় কমিশনের চেয়ারম্যান-পদে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে অস্থায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি নপরাজিত মুখোপাধ্যায়। কিন্তু স্থায়ী চেয়ারম্যান এবং বিচার বিভাগীয় সদস্য না-থাকায় কমিশনে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। কমিশনের সচিব রবীন্দ্রনাথ সামন্ত এ দিন নয়া নিয়োগের কথা জানিয়ে বলেন, “আশা করা হচ্ছে, এ বার শুনানি শুরু করা সম্ভব হবে।” কমিশন সূত্রের খবর, কয়েক হাজার বিষয়ের শুনানি বকেয়া পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

কেষ্টকে নিয়ে কটাক্ষ বিরোধীদের

প্রাথমিক, এসএসসি থেকে শুরু করে স্থানীয় ইস্যু হিসেবে নির্দল প্রার্থীর বাবা সাগরচন্দ্র ঘোষ খুনের ঘটনা নিয়ে জেরবার রাজ্য থেকে জেলা তৃণমূলের রাজ্য থেকে জেলা নেতৃত্ব। সম্প্রতি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির মন্তব্যকে নিয়ে জেলা জুড়ে জোর জল্পনা। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে অন্দরে, বাইরে, হাটেবাজারে একটাই আলোচনা ‘কেষ্টদা (অনুব্রত মণ্ডল) যদি গ্রেফতার হয়, লোকসভা ভোটে বীরভূম জেলার দুই কেন্দ্রের কী হবে?’ এই চর্চায় অবশ্য সটান জবাব কংগ্রেসের এক বর্ষীয়ান নেতার, “আসলে দাদার সমস্যা তো। দিদি যে আছেন। উনি তো সব। তিনি সবই পারেন।”

বিজেপির ভোট বাড়তে পারে, মানলেন বিমান

এতদিন রাজ্যে বিজেপিকে উপেক্ষা করত আলিমুদ্দিন। কিন্তু এ বার সেই বিজেপির ভোট যে ভাল রকম বাড়ছে, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু কার্যত তা মেনে নিলেন। একই সঙ্গে তাঁর আশঙ্কা, বেশ কিছু আসনে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের ‘গট-আপ’ হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা জার্নালিস্ট ক্লাবের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে বিমানবাবু তাঁর আশঙ্কার কথা জানান। বিভিন্ন ভোট সমীক্ষাতেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, রাজ্যে বিজেপির ভোট বাড়ছে। শেষ পর্যন্ত আলিমুদ্দিনও তা মেনে নিল। বিমানবাবুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ বলেন, “বিমানবাবুর বক্তব্য পরস্পর বিরোধী। উনি একদিকে স্বীকার করছেন, বিজেপির ভোট বাড়ছে। আবার বলছেন তৃণমূল-বিজেপি গট-আপ করছে। উনি নিজের দলের দিকে নজর দিন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement