ঢাকা যাত্রার মুখে মুখ্যমন্ত্রীর সৌহার্দ্য বার্তা

ঢাকা যাওয়ার প্রাক্ কালে ফের বাংলাদেশের সঙ্গে সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার লবিতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘‘আমি বাংলাদেশ যাচ্ছি। একটা ঐতিহাসিক চুক্তির সাক্ষী হতে যাচ্ছি। স্বাধীনতার পর ৬৬ বছর ধরে যে সমস্যার সমাধান হয়নি, সেই ছিটমহল সমস্যা মিটবে। বাংলাদেশের মানুষ এ দেশে আসবেন। এ দেশের মানুষ ও দেশে যাবেন। দু’দেশের পক্ষে এটা ভাল হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী বোঝাতে চেয়েছেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি হওয়ার পর দু’দেশেরই ছিটমহলের বাসিন্দারা বৈধ নাগরিকের মর্যাদা পাবেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০১৫ ১৯:৫৭
Share:

ঢাকা যাওয়ার প্রাক্ কালে ফের বাংলাদেশের সঙ্গে সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

বিধানসভার লবিতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘‘আমি বাংলাদেশ যাচ্ছি। একটা ঐতিহাসিক চুক্তির সাক্ষী হতে যাচ্ছি। স্বাধীনতার পর ৬৬ বছর ধরে যে সমস্যার সমাধান হয়নি, সেই ছিটমহল সমস্যা মিটবে। বাংলাদেশের মানুষ এ দেশে আসবেন। এ দেশের মানুষ ও দেশে যাবেন। দু’দেশের পক্ষে এটা ভাল হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী বোঝাতে চেয়েছেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি হওয়ার পর দু’দেশেরই ছিটমহলের বাসিন্দারা বৈধ নাগরিকের মর্যাদা পাবেন। প্রয়োজন হলে নিজেদের পছন্দ মাফিক ভারত বা বাংলাদেশে স্থায়ী ভাবে বাস করতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে সব মানুষ ভারতে চলে আসতে চান, তাঁদের তালিকা তৈরি করা হবে। প্রথমে সাময়িক ভাবে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। পরে তাঁদের পাকাপাকি পুনর্বাসনের জন্য ধাপে ধাপে কেন্দ্রের থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তা জোর পাবে বর্ষা কেটে গেলে পুজোর পরে।’’

বাস চলাচল এবং স্থল সীমান্ত চুক্তি ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের সময় দু’দেশের সুন্দরবন অঞ্চলে বিলাসবহুল ক্রুজ পরিষেবা সংক্রান্ত মউ সই হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, দুই বাংলার সুন্দরবনের মধ্যে জলপথ পর্যটন চালু হলে ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। এ জন্য ১০টি বিলাসবহুল জাহাজ কেনা হচ্ছে। কলকাতার সঙ্গে ঢাকার সুসম্পর্ক প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘‘আমরা নিউটাউনের মোম জাদুঘরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মোমের মূর্তি রাখব। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত একটি চেয়ার করার কথা আগেই ঘোষণা করেছি। এ বার আসানসোলের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কালচারাল স্টাডি সেন্টার হবে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement