দেশের বিখ্যাত ধর্মস্থানগুলির উন্নয়নের তালিকা থেকে দক্ষিনেশ্বর, বেলুড়় বাদ পড়ল কেন, তা নিয়ে শুরু হয়ে গেল নতুন বিতর্ক। বারাণসী, কামাখ্যা, দ্বারকা, গয়া, কেদারনাথ, পুরীর মতো দেশের মোট তেরোটি ধর্মস্থানের বিকাশে নরেন্দ্র মোদী সরকার পরিকল্পনা করছে বলে আজ দুপুরে সংসদে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রক। এর পরেই দিল্লি পৌঁছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে ‘জাতীয় লজ্জা’ আখ্যা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, ‘‘যাঁরা কথায় কথায় ধর্মের ধ্বজা ধরেন, তাঁদের তালিকায় শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিধন্য দক্ষিণেশ্বর, বেলুড় মঠ নেই! একে আমি ধিক্কার জানাচ্ছি।’’ তবে তালিকায় এখন না থাকলেও দক্ষিণেশ্বর, বেলুড় মঠের সৌন্দর্যায়ন ও উন্নয়ন ঘটিয়ে বিশেষ ধর্মীয় পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলতে আজ দুপুরেই তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী মহেশ শর্মা। তাঁর মন্ত্রক ১৩টি ধর্মস্থানকে চিহ্নিত করার কথা বলতেই লোকসভায় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বেলুড়, দক্ষিণেশ্বরের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সুদীপ মনে করিয়ে দেন, মোদী লোকসভা ভোটের আগে বেলুড়ে গিয়েছিলেন। পরে তিনি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট স্বামী আত্মস্থানন্দজীর সঙ্গেও দেখা করে এসেছেন। তখনই মহেশ শর্মা জানান, তিনি এই প্রস্তাবে সম্পূর্ণ সহমত। পরবর্তী তালিকায় এই এলাকাকে সংযুক্ত করার কথা ভাববে সরকার।