Bangladesh Election

বাংলাদেশে ভোট-ময়দানে ৮০ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী

জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক জনকে প্রার্থী করেছে। মৌলভীবাজার-৪ আসনে নির্বাচন লড়ছেন প্রীতম দাশ। জাতীয় পার্টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার জনকে প্রার্থী করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৯
Share:

বাংলাদেশে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারে স্লোগান দিচ্ছেন মহিলারা। বুধবার ঢাকায়। ছবি: রয়টার্স।

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মোট ৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। তাদের প্রতীকে ১৭ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৮০ জন সংখ্যালঘু প্রার্থীর ১০ জন মহিলা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের পালাও শেষ। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী-সহ ২২টি দল এ বারের নির্বাচনে দলগত ভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৬৮ জনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মোট ৮৮ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

নির্বাচনী ময়দানে সবচেয়ে বড় দল বিএনপি শীর্ষ স্তরের দুই নেতা-সহ ছ’জন সংখ্যালঘুকে প্রার্থী করেছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ঢাকা-৩ আসন থেকে এবং মাগুরা-২ আসন থেকে লড়ছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায়চৌধুরী। জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই প্রথম কোনও সংখ্যালঘুকে প্রার্থী করল। হিন্দু-অধ্যুষিত খুলনা-১ আসনে জামাত প্রার্থী করেছে দলের ডুমুরিয়া উপজেলার হিন্দু কমিটির সভাপতি ব্যবসায়ী কৃষ্ণ নন্দীকে।

জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক জনকে প্রার্থী করেছে। মৌলভীবাজার-৪ আসনে নির্বাচন লড়ছেন প্রীতম দাশ। জাতীয় পার্টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার জনকে প্রার্থী করেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বামপন্থী দলগুলি। সিপিবি ১৭ জন সংখ্যালঘুকে প্রার্থী করেছে। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছ’জনকে, বাসদ (মার্ক্সবাদী) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাত জনকে, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দু’জনকে প্রার্থী করেছে।

একাধিক সংখ্যালঘু সংগঠন হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না করা হলে, সংখ্যালঘুরা ভোট বয়কট করবেন। ভোটযুদ্ধে সংখ্যালঘু প্রার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় ক্ষুদ্ধ সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, ‘‘যতক্ষণ না সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যেতে না-পারবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের অধিকার, উন্নয়ন ও অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনে আরও বেশি করে সুযোগ দিতে হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন