Bangladesh

বাংলাদেশে জঙ্গি হানার আশঙ্কায় জারি সতর্কতা

বাংলাদেশ পুলিশের সদর দফতর সূত্রের খবর, সম্প্রতি বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার সঙ্গে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া দুই ব্যক্তির নিয়মিত যোগাযোগের কথা জানা গিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩৭
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

জাতীয় সংসদকে নিশানা করতে চাইছিল জঙ্গিরা এবং একই সঙ্গে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানেও হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল— সম্প্রতি ধৃত এক জঙ্গি এবং সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত দু’জনকে জেরা করে এমনই তথ্য পেয়েছে বলে দাবি বাংলাদেশের পুলিশের। সূত্রের খবর, গোয়েন্দা রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও নিশানা করতে পারে জঙ্গিরা। জনবহুল এলাকায়ও নিশানায় রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) কামরুল আহসানের সই করা একটি চিঠির সূত্রে এমন তথ্য সামনে এসেছে। একই সঙ্গে জঙ্গি হানার আশঙ্কায় জাতীয় সংসদ তো বটেই, সেই সঙ্গে সরকার ও সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী, গুরুত্বপূর্ণ ভবন, উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র এবং শাহবাগ চত্বরের মতো এলাকাতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের সদর দফতর সূত্রের খবর, সম্প্রতি বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার সঙ্গে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া দুই ব্যক্তির নিয়মিত যোগাযোগের কথা জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, বড় ধরনের নাশকতার চালানোর লক্ষ্যে ওই জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে চলছিল।

পুলিশে অফিসারেরা জানিয়েছেন, হামলা চালাতে এই জঙ্গিরা বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের। কোন সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামলা চালাতে পারে, তা স্পষ্ট করে জানায়নি পুলিশ বিভাগ। তবে গোয়েন্দা সূত্রের খবর, লস্কর-ই-তইবা এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের মতো জঙ্গি গোষ্ঠী বাংলাদেশে তৎপরতা বাড়াচ্ছে।

জঙ্গি হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষিতে পুলিশের সদর দফতর সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা, নজরদারি বাড়ানো ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। এই সতর্কবার্তা সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সিটিটিসি-সহ পুলিশের সব প্রধান ইউনিট এবং জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের এক পদস্থ অফিসার বলেন, ‘‘এ ধরনের সতর্কতা নিয়মিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ। তবে এটি উগ্রপন্থী হুমকির বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন