Bangladesh BNP Government

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই আন্দোলন নিয়ে গবেষণা চান তারেক, ৫ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ঘোষণা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করছে তারেক রহমানের সরকার। সেই কারণে গবেষণায় অনুদান ঘোষণা করা হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১১:৫৬
Share:

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। —ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করছে তারেক রহমানের সরকার। সেই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন নিয়েও গবেষণার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই সংক্রান্ত একক বা প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় সরকার অনুদান দেবে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, পাঁচ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। প্রতি বছরই অনুদান মিলবে। তবে বছরে কত জন করে এই অনুদান পাবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি।

Advertisement

বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের একাংশের মতে, মুক্তিযুদ্ধের অনেক তথ্য এখনও অজানা। গবেষণার অনেক পরিসর অধরা রয়ে গিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় ইতিহাস প্রকাশ্যে আসেনি। সেই সমস্ত তথ্য ঘেঁটে দেখা প্রয়োজন। তা আদতে বাংলাদেশের ইতিহাসকেই সমৃদ্ধ করবে। তা ছাড়া, সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলন নিয়ে গবেষণার অনেক স্তরই এখনও শূন্য রয়ে গিয়েছে। সেখানেও তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সেই কারণেই সরকার আলাদা করে এই সংক্রান্ত গবেষণায় উৎসাহ দিতে চায়। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পৃথক মন্ত্রক রয়েছে। তারা জুলাই আন্দোলন নিয়েও কাজ করে থাকে।

তিন পর্যায়ের গবেষণার কথা বলেছে বাংলাদেশ সরকার। দলীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে গবেষণার মেয়াদ হবে এক বছর। তাতে ১০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান মিলতে পারে। গবেষণার বিষয়, পরিসর বিবেচনা করে অনুদানের অঙ্ক স্থির হবে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ন’মাসের জন্য একক গবেষণায় মিলবে পাঁচ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। তা ছাড়া, ছ’মাসের একক গবেষণায় পাঁচ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের অনুমতি নিয়ে এক বার গবেষণার সময়সীমা বৃদ্ধি করা যাবে। সরকারি কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বা পিএইচডি ডিগ্রিধারী যে কেউ গবেষণার জন্য আবেদন করতে পারবেন। গত ৪ মার্চ মুক্তিযুক্ত মন্ত্রক বিজ্ঞপ্ত দিয়ে সরকারি অনুদানের কথা জানিয়েছে।

Advertisement

প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে গবেষণার প্রস্তাব আহ্বান করবে বাংলাদেশ সরকার। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে প্রস্তাব জমা দিতে হবে। গবেষণা চূড়ান্ত হবে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গবেষণা সম্পন্ন করে রিপোর্ট সরকারকে দিতে হবে। গবেষণার অগ্রগতির উপরেও নজর রাখবে সরকার।

২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের চাপে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসেন তিনি। দেড় বছর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের শাসন চালিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার। গত ফেব্রুয়ারিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের গবেষণাতেও জোর দিতে চাইছে তারেকের সরকার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement