(বাঁ দিকে) তারেক রহমান এবং শি জিনপিং (ডান দিকে)। শুক্রবার বেজিঙে। ছবি: রয়টার্স।
চিন সফরে গিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে দেখা করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে তিনটি বিষয় তুলে ধরেন বাংলাদেশের বর্তমান শাসকদল বিএনপি-র প্রধান তারেক। সেগুলি হল, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি দূর করা, বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য চিনে রফতানি করা এবং দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে চলা প্রকল্পগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘দ্য ডেলি স্টার’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, জিনপিঙকে তারেক বাংলাদেশের আরও পণ্য আমদানি করার জন্য অনুরোধ। মূলত আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, সামুদ্রিক সামগ্রী, কাঁচা চামড়া, পাটজাতীয় পণ্য এবং ঔষধসামগ্রী চিনে রফতানি করার বিষয়ে কথা বলেন তিনি। এর পাশাপাশি তারেক জানান যে, বাংলাদেশে একাধিক পরিকাঠামোগত প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চিনের সমর্থন প্রয়োজন।
চিন প্রশাসনের বিবৃতি করে বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বেজিংও ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পণ্য রফতানির পরিমাণ আরও বাড়াতে চায় তারা। অন্য দিকে, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর মতো বিষয়ে বাংলাদেশে অর্থ বিনিয়োগ করার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে চিন।
তিন দিনের সফরে বুধবার চিনে গিয়েছিলেন তারেক। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম চিন সফর। বৃহস্পতিবার চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াঙের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন তিনি। ওই সাক্ষাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে একাধিক সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়। শুক্রবার বিকেলে চিন থেকে ঢাকায় ফিরবেন তারেক।