BNP on Bangladesh India Relation

হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হবে! দাবি বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের, ভারত-সহ পড়শিদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও বার্তা

২০২৪ সালের ৫ অগস্ট গণঅভ্যুত্থানের চাপে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন হাসিনা। তার পর থেকে তিনি ভারতে। বিএনপি-ও তাঁর প্রত্যর্পণ চায়, দাবি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৭
Share:

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। —ফাইল চিত্র।

আইন মেনে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার পক্ষপাতী বিএনপি, দাবি করলেন দলের বর্ষীয়ান নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ। তবে ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় তারা। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনের ফল শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ফেলেছে বিএনপি। ২০ বছর পর তারা ক্ষমতায় আসতে চলেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই পরিস্থিতিতে তারেক কুর্সিতে বসে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন নীতি অনুসরণ করেন, সে দিকে সকলের নজর রয়েছে।

Advertisement

২০২৪ সালের ৫ অগস্ট গণঅভ্যুত্থানের চাপে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন হাসিনা। তার পর থেকে তিনি ভারতে। একাধিক বার মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে বিদেশ মন্ত্রকে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লি এখনও জবাব দেয়নি। জুলাই গণহত্যার মামলায় বাংলাদেশের আদালতে হাসিনা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারত এবং বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। তবে প্রত্যর্পণের দাবিকেই সমর্থন করে বিএনপি।

সালাউদ্দিনের কথায়, ‘‘আমাদের বিদেশমন্ত্রী হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছেন। আমরাও তা সমর্থন করি। আইন অনুযায়ী প্রত্যর্পণের দাবি আমরা সবসময়েই জানিয়ে এসেছি। এটা দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রকের ব্যাপার। আমরাও হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছিলাম।’’ বাংলাদেশের সঙ্গে সকল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় বিএনপি। সালাউদ্দিনের কথায়, ‘‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্যের ভিত্তিতে ভারত-সহ সকল দেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজন।

Advertisement

বাংলাদেশের এই ভোটে হাসিনার দল আওয়ামী লীগ লড়তে পারেনি। তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগ না থাকায় অনেকেই এই নির্বাচনের চরিত্র এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেই সমস্ত অভিযোগ মানতে চাননি সালাউদ্দিন। তাঁর কথায়, ‘‘বাংলাদেশের মানুষ জানে, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হয়েছে। আওয়ামী লীগের কথা যদি তোলেন, তা হলে বলব ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement