টুকরো খবর

আলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতে ও নুর হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, সুব্রত বাইনের মতো কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে বাংলাদেশে ফেরানো নিয়ে বোঝাপড়ায় পৌঁছেছে নয়াদিল্লি ও ঢাকা। ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব অনিল গোস্বামী আজ ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রসচিব মোজাম্মেল হক খানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:১৫
Share:

আটক দুষ্কৃতীদের ফেরাতে কথা দিল্লি ও ঢাকার

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • ঢাকা

আলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতে ও নুর হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, সুব্রত বাইনের মতো কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে বাংলাদেশে ফেরানো নিয়ে বোঝাপড়ায় পৌঁছেছে নয়াদিল্লি ও ঢাকা। ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব অনিল গোস্বামী আজ ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রসচিব মোজাম্মেল হক খানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই আরও কয়েকটি বিষয়ের সঙ্গে এই বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়েছে। মোজাম্মেল হক খান জানান, চেটিয়ার শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁকে ফেরত দিতে বাংলাদেশের কোনও আপত্তি নেই। ভারতও তাদের কারাগারে থাকা সাত খুনের আসামি নুর হোসেন ও অন্য কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের বাংলাদেশে ফেরত দিতে রাজি হয়েছে। জঙ্গি মোকাবিলায় দু’দেশের গোয়েন্দাতথ্য আদানপ্রদান বাড়ানো ও অনুপ্রবেশ রোধে দু’দেশের সীমান্ত রক্ষীদের যৌথ নজরদারি নিয়েও সুনির্দিষ্ট আলোচনা করেছেন দুই স্বরাষ্ট্রসচিব। শেখ মুজিবর রহমানের কয়েক জন হত্যাকারীকে কেন ধরা যাচ্ছে না, এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রসচিবকে। তিনি জানান, অনিল গোস্বামী বৈঠকে বলেছেন, মুজিবরের কোনও খুনির ভারতে লুকিয়ে থাকার বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য দিল্লির হাতে নেই।

Advertisement

অভিযুক্ত সেনা অফিসার

সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি

সিরিয়া ও ইজরায়েলের সীমান্তে গোলান হাইটসে মোতায়েন রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিরক্ষী বাহিনীর এক ভারতীয় লেফটেন্যান্ট জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি করল ফিলিপিন্সের সেনা। ফিলিপিনো সেনার দাবি, গত সপ্তাহে সিরিয়ার জঙ্গিদের হাতে আটক হন রাষ্ট্রপুঞ্জ বাহিনীর সদস্য ফিজির ৪৪ জন সেনা। তাঁদের বাঁচাতে ওই ভারতীয় সেনা অফিসার রাষ্ট্রপুঞ্জ বাহিনীর ফিলিপিনো সেনাদের আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন। তবে ফিলিপিনো সেনারা সেই নির্দেশ মানেননি। ভারতীয় অফিসারের নির্দেশ মানলে ফিলিপিনো সেনাদের প্রাণবিপন্ন হত বলে দাবি ফিলিপিন্সের। ভারতীয় সেনা জানিয়েছে, এই বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারে একমাত্র রাষ্ট্রপুঞ্জই।

পিছোল ২৬/১১ মামলা

সংবাদ সংস্থা • লাহৌর

সাউথ ব্লকের আশঙ্কাই সত্যি হল। রাওয়ালপিন্ডির বিশেষ সন্ত্রাস দমন আদালতে আরও এক বার পিছিয়ে গেল ২৬/১১ মামলার শুনানি। নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত বেশ কয়েকটি শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন সরকারি আইনজীবীরা। আজকের শুনানিতেও তাঁরা আসেননি। উপরন্তু সরকার পক্ষের এক ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সাক্ষীরও আজকের শুনানিতে হাজির থাকার কথা ছিল বলে খবর। আসেননি তিনিও। ১০ সেপ্টেম্বর, পরবর্তী শুনানিতে ওই সাক্ষীকে হাজির থাকতে বলেছেন বিচারক এত্তিকার রহমান। ২৬/১১ হামলার প্রধান অভিযুক্ত লস্কর জঙ্গি জাকিউর রহমান লকভি-সহ সাত জনের বিচার চলছে রাওয়ালপিন্ডির ওই বিশেষ সন্ত্রাস দমন আদালতে। গত ২৭ মে পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকেই লকভিদের দোষী সাব্যস্ত করার ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছিলেন মোদী। কিন্তু ঠিক তার পরের দিন থেকে শুরু করে গত তিন মাসে কখনও বিচারক ছুটিতে যাওয়ায়, কখনও সাক্ষীরা বা সরকারি আইনজীবীরা অনুপস্থিত থাকায় সাত বার পিছিয়েছে ওই মামলার শুনানি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement