US-Iran Conflict

‘সময় ফুরিয়ে আসছে’! ইরানের মানচিত্র আমেরিকার পতাকার রঙে রাঙিয়ে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

রবিবার সমাজমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। নয়তো তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।”

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ০৯:১৬
Share:

ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

ইরানকে সময়ের গুরুত্ব বোঝালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! হুঁশিয়ারির সুরে জানালেন, ইরান দ্রুত আলোচনায় না-বসলে তাদের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এ কথা জানিয়ে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক অভিযান শুরু করার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Advertisement

রবিবার সমাজমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। নয়তো তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।”

এই পোস্টের পরেই সমাজমাধ্যমে ২০টির বেশি ছবি প্রকাশ করেন ট্রাম্প। অবশ্য সেগুলি ছবি না বলে গ্রাফিক বলাই যথাযথ হবে। সেই রকমই একটি গ্রাফিকে দেখা যাচ্ছে, ইরান-সহ গোটা পশ্চিম এশিয়ার মানচিত্রকে আমেরিকার পতাকার রঙে রাঙানো হয়েছে। আর কিছু তির চিহ্ন ইরানের মানচিত্রকে ঘিরে রয়েছে। এই গ্রাফিককে ইরানের উপর হামলা চালানোর ‘স্পষ্ট বার্তা’ বলে মনে করছেন অনেকে। আর একটি গ্রাফিকে দেখা যাচ্ছে, ইরানের দ্রুতগামী নৌকা (যা ফাস্ট বোট নামে পরিচিত)-তে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকার যুদ্ধবিমান। উপরে লেখা ‘বাই বাই ফাস্ট বোটস’ (বিদায় ‘ফাস্ট বোট’)।

Advertisement

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি বজায় রয়েছে। কিন্তু তার মেয়াদ কত দিন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহে ইরানের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করতে একগুচ্ছ শর্ত রেখেছে আমেরিকা। যেমন ইরানকে ৪০০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দিতে বলা হয়েছে। তা ছাড়া আমেরিকা ইরানের যে সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে, সেগুলি ফেরত দেওয়ার বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে চায়নি। আলোচনায় রফাসূত্র মিললে তবেই যুদ্ধ পুরোপুরি থামানোর কথাও জানিয়েছে আমেরিকা।

পাল্টা কিছু শর্ত রেখেছে ইরানও। তেহরানের তরফে জানানো হয়েছে, আমেরিকাকে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফিরিয়ে ইরানের উপর চাপানো যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। এর পাশাপাশি যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ় প্রণালীর উপর নিরঙ্কুশ কর্তৃত্বও দাবি করেছে ইরান।

শর্ত, পাল্টা শর্তের কারণে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আদৌ বোঝাপড়া হবে কি না, হলেও বা কবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement