US State Department

পাকিস্তানের পেশোয়ারে আমেরিকার কনসুলেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল ট্রাম্প সরকার! কী কারণে এমন পদক্ষেপ?

আফগান সীমান্তবর্তী ওই কনসুলেটটি ২০০১ সালের তালিবান ও আল কায়দা বিরোধী সামরিক অভিযানের সময় থেকেই পাকিস্তানের মার্কিন কূটনৈতিক তৎপরতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ১৭:১০
Share:

ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানে সামরিক অভিযান এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষের আবহে বন্ধ হতে চলেছে পেশোয়ারের মার্কিন কনসুলেট। আফগান সীমান্তবর্তী ওই কনসুলেটটি ২০০১ সালের সামরিক অভিযানের সময় থেকেই পাকিস্তানের মার্কিন কূটনৈতিক তৎপরতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল।

Advertisement

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী শহরের ওই কনসুলেটটি স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বুধবারই কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল। বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশ দফতর আনুষ্ঠানিক ভাবে সে কথা স্বীকার করে নিয়েছে। তাদের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে বছরে ৭৫ লক্ষ ডলার (প্রায় ৭০ কোটি টাকা) সাশ্রয় হবে। পাকিস্তানে মার্কিন জাতীয় স্বার্থকে নেতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করার সম্ভাবনাও এর ফলে কমবে।

প্রসঙ্গত, গত এক বছর ধরেই ট্রাম্প প্রশাসন ধারাবাহিক ভাবে প্রায় সমস্ত ফেডারেল সংস্থার ব্যয়সঙ্কোচ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন বিদেশ দফতরের দাবি, গত এক বছর ধরে পোশোয়ারের কনসুলেট বন্ধ করার বিষয়টি তাদের বিবেচনায় ছিল এবং এটি ইরান যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চলতি মাসের গোড়ায় পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে শিয়া মুসলিম সংগঠনগুলির বিক্ষোভের জেরে করাচি এবং পেশোয়ারের মার্কিন কনসুলেটের কাজ সাময়িক ভাবে বন্ধ রেখেছিল ট্রাম্প সরকার। গত এক বছরে মার্কিন বিদেশ দফতর ব্যয়সঙ্কোচের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েক জন কূটনীতিক-সহ কয়েক হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। তবে, পেশোয়ার কনসুলেটই সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হওয়া প্রথম মার্কিন কূটনৈতিক মিশন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement