ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।
ইসলামাবাদের শান্তিবৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ফের কি আলোচনার টেবিলে বসবে আমেরিকা এবং ইরান? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। এই আবহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন, ইরান আলোচনার রাস্তায় ফিরুক, বা না-ফিরুক, তাঁর কিছুই যায়-আসে না। এমনকি তিনি এ-ও দাবি করেছেন যে, ইরান আলোচনার টেবিলে না-ফিরলেও তাঁর কোনও অসুবিধা হবে না।
সোমবার ফ্লরিডা থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “ইরান (আলোচনায়) ফিরুক বা না-ফিরুক, আমার কিছু যায়-আসে না। যদি ওরা না ফেরে, আমার কোনও সমস্যা হবে না।” ট্রাম্প অবশ্য এ-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানকে পরমাণু অস্ত্রধর হতে দেবে না আমেরিকা। সোমবার এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওরা (ইরান) এখনও ওটা (পরমাণু অস্ত্র তৈরি করা) চাইছে। কিন্তু ইরানের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকবে না।”
ট্রাম্প আগেই জানিয়েছেন যে, ইসলামাবাদে একাধিক বিষয়ে আমেরিকা এবং ইরানের প্রতিনিধিরা সম্মত হয়েছিলেন। আলোচনা সফল হওয়ার পথেই এগোচ্ছিল। কিন্তু একটি বিষয়ই ‘কাঁটা’ হয়ে দাঁড়ায়। ইরান কোনও ভাবেই পারমাণবিক বোমা তৈরির ইচ্ছা থেকে সরে আসতে রাজি হয়নি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সে বিষয়ে তারা অনমনীয় ছিল। তার ফলে আমেরিকার পক্ষেও সমঝোতায় এগোনো সম্ভব হয়নি। ইরান অবশ্য পাল্টা দাবি করেছে যে, আমেরিকার ‘অযৌক্তিক’ দাবির কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।
অন্য দিকে, পাকিস্তানে সমঝোতার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরেই হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা (ভারতীয় সময়) থেকে এই প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজগুলিকে আটকে দেবে আমেরিকা। ইরানকে শুল্ক দিয়ে কেউ এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে না। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে যুদ্ধের পারদ নতুন করে চড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।