US Iran Tension

শত্রুরা কেউ পালানোর পথ খুঁজে পাবে না! খামেনেইয়ের দেখানো পথেই চলব আমরা, হুঙ্কার ইরানের প্রেসিডেন্টের

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে গঠিত সর্বোচ্চ নেতৃত্ব পরিষদ ইতিমধ্যে নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এই সর্বোচ্চ নেতৃত্ব পরিষদে অন্যতম সদস্য এখন পেজ়েশকিয়ান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ২১:২১
Share:

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। —ফাইল চিত্র।

ইরানের শত্রুরা কেউ পালানোর পথ পাবে না। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে এমনটাই হুঙ্কার দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের দেখানো পথেই চলবে ইরান। রবিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত এক ভিডিয়োবার্তায় এমনটাই দাবি করেছেন তিনি।

Advertisement

ইরানবাসীর উদ্দেশে পেজ়েশকিয়ান বলেন, “আমরা আমাদের সর্বোচ্চ নেতার দেখানো পথেই চলব। ইরানের সামরিক বাহিনী আমাদের শত্রুদের ঘাঁটি ধ্বংস করে দেব।” তাঁর কথায়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের এমন অবস্থা করবে যে তারা আর পালানোর পথ খুঁজে পাবে না। খামেনেইকে হত্যার ‘বদলা’ যে ইরান নেবে, তা আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন পেজ়েশকিয়ান। এই প্রতিশোধকে ইরানের ‘বৈধ অধিকার এবং কর্তব্য’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

এ বার নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে জানালেন, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে গঠিত সর্বোচ্চ নেতৃত্ব পরিষদ ইতিমধ্যে নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছে। বস্তুত, এই সর্বোচ্চ নেতৃত্ব পরিষদে অন্যতম সদস্য এখন পেজ়েশকিয়ান। এ ছাড়া রয়েছেন ইরানের প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি এবং ধর্মীয় নেতা আলি রেজা আরাফি। আগে খামেনেইয়ের হাতে একক ভাবে যে ক্ষমতা ছিল, তা এখন থাকবে এই তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদের হাতেই।

Advertisement

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়ায়। ইজ়রায়েলে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। রবিবার বিকেলে জেরুসালেমের কাছে এক আবাসনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ইজ়রায়েলের বেইত শেমেস শহরেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃত্যুর খবর মিলেছে। অন্য দিকে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনেও হামলা চালিয়েছে ইরান। ওই মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানি বাহিনী। যদিও তাতে ক্ষয়ক্ষতি কী হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement