China-Japan Conflicts

চিনা হানাদারি রুখতে এ বার মার্কিন নৌসেনার সঙ্গে যৌথ মহড়া জাপানের! কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল বেজিং

সম্ভাব্য চিনা হানাদারি ঠেকাতে তাইওয়ানের উপকূল থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরের ইয়োনাগুনি দ্বীপে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের প্রস্তুতি শুরু করেছে জাপান। যা নিয়ে বেজিং-টোকিয়ো টানাপড়েন শুরু হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০২৬ ২৩:৪৭
Share:

জাপানের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া। —ফাইল চিত্র।

মাস ছ’য়েকের বিরতির পরে নতুন করে উত্তেজনার আঁচ তাইওয়ান প্রণালীতে। সম্ভাব্য চিনা হানাদারি ঠেকাতে এ বার তাইওয়ানের উপকূলের অদূরে মার্কিন নৌসেনার সঙ্গে যৌথ মহড়া এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা শুরু করেছে জাপান। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চিন।

Advertisement

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সরকার জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই নৌযুদ্ধের মহড়ায় একটি পুরনো যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়। আমেরিকার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপিন্স, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড ও কানাডার প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য অংশ নিয়েছেন জাপানে এই নৌমহ়ড়ায়। বুধবার ওই মহড়ার অংশ হিসাবেই দক্ষিণ চীন সাগরে উপকূল থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত লক্ষ্যে আঘাত হানে ‘টাইপ-৮৮’ ক্ষেপণাস্ত্র। তার পরেই চিনের তরফে ওই ঘটনাকে ‘প্ররোচনা’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত নভেম্বরে তাইওয়ান উপকূল থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইয়োনাগুনি দ্বীপে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের প্রস্তুতি শুরু করেছিল জাপান। তার পরে বেজিং-টোকিয়ো সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। চিনা হুমকি উড়িয়ে সে সময় জাপানি প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি জানিয়েছিলেন, চিন যদি তাইওয়ান দখল করতে উদ্যোগী হয় তবে তাঁরা চুপ করে বসে থাকবেন না। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়োজনে তাইওয়ানকে সামরিক সাহায্য করা হবে।’’ এর পরে চিনা প্রতিরক্ষা দফতর বিবৃতিতে বলে, ‘‘তাইওয়ান পরিস্থিতি নিয়ে নাক গলানো বন্ধ না করলে ‘ধ্বংসাত্মক সামরিক পদক্ষেপের’ মুখে পড়বে জাপান।’’ তার এক দিন পরেই উপকূলরক্ষী বাহিনীর রণতরী ঘিরে ফেলেছিল জাপানের সেনকাকু দ্বীপ। যদিও পরে তারা সরে গিয়েছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement