আইপিএলের ট্রফি। — ফাইল চিত্র।
গত বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রতি আইপিএলে ৭৪টি ম্যাচ হয়। ১০টি দল হওয়ার পরেও ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। অচিরেই তা বদলাতে পারে। দু’বছর পর থেকেই আইপিএলে ৯৪টি করে ম্যাচ হতে পারে। বৃহস্পতিবার তেমনই ইঙ্গিত দিলেন বোর্ডকর্তা অরুণ ধুমল। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আসন সংখ্যার কারণেই বেঙ্গালুরু থেকে ফাইনাল অহমদাবাদে সরানো হয়েছে।
আইপিএলে আটটি দল থাকার সময় থেকেই ৭৪টি ম্যাচ হয়। তখন প্রতিটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে হোম এবং অ্যাওয়ে ফরম্যাটে খেলত। এখন পাঁচটি দলের দু’টি গ্রুপ তৈরি করে আইপিএলের সূচি হয়। প্রতিটি দল পাঁচটি দলের বিরুদ্ধে দুই পর্বের এবং চারটি দলের বিরুদ্ধে একটি পর্বের ম্যাচ খেলে। সেটি হয়তো বদলাতে চলেছে। ৯৪টি ম্যাচ হলে ১০টি দলই একে অপরের বিরুদ্ধে দু’টি করে ম্যাচ খেলতে পারবে।
ধুমল এ দিন বলেছেন, “আমাদের হাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক দল রয়েছে। তবে মোট ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। এখনও পর্যন্ত দলের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। যদি সমান সংখ্যক হোম এবং অ্যাওয়ে ম্যাচ রাখতে হয় তা হলে ৯৪টি করে ম্যাচ হবে।”
পুরোটাই নির্ভর করছে আইসিসি-র উপর। কারণ ২০২৭ সালে আইসিসি পরবর্তী চার বছরের সূচি প্রকাশ করার সময় আইপিএলের জন্য কত দিন সময় রাখে সে দিকে নজর রয়েছে। কারণ এখনকার মতো ৬০-৬৫ দিনে ৯৪টি ম্যাচ করানো সম্ভব নয়। এতে দিনে দু’টি ম্যাচের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। মার খাবে বিজ্ঞাপন বাবদ আয়।
ধুমল বলেছেন, “২০২৭ পর্যন্ত সূচি তৈরি আছে। আমাদের আরও বেশি সময় দরকার। ২০২৭-এর পর সেই চেষ্টা আমরা করব। সেটা পেলে অবশ্যই ৯৪টি করে ম্যাচ হবে।” জানা গিয়েছে, পরের আইসিসি চক্রে আড়াই মাস আইপিএলের জন্য রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
এ দিকে, বুধবার ঘোষিত হয়েছে অহমদাবাদে ফাইনাল হওয়ার কথা। এ বিষয়ে ধুমল বলেছেন, “বেঙ্গালুরুতেই ফাইনাল হলে ঠিক ছিল। রাজ্য সংস্থার সঙ্গে কথাও হয়েছে। রাজ্য সরকারকে বিনামূল্যে টিকিট দিতে হয় বিধায়ক, সাংসদ এবং আরও অনেককে। স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা বেশি নয়। লিগ ম্যাচেও বেশি টিকিট পড়ে থাকত না।”
তাঁর সংযোজন, “যে হেতু আইপিএল ফাইনালে বিশ্বের লোকের আগ্রহ থাকে, তাই সমর্থকদের জন্য বড় পরিমাণ টিকিট থাকা দরকার। তা ছাড়া আইসিসি-র বোর্ড বৈঠকও রয়েছে। অনেক সদস্য তার জন্য আসছেন। এ সব ভেবেই একটা বড় মাঠ দরকার ছিল। তাই অহমদাবাদকে বেছে নেওয়া হয়েছে।”