পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি। ছবি: রয়টার্স।
আমেরিকার রাজস্বসচিব স্কট বেসান্তের দাবি, ইরানের আকাশের সম্পূর্ণ দখল চলে এসেছে আমেরিকার হাতে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
তুরস্কের দিকেও কি হামলা শুরু করল ইরান! বুধবার তুরস্কের আকাশসীমার দিকে যাচ্ছিল একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। কিন্তু তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটিকে ধ্বংস করে দেয় আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটো। তুরস্ক সরকার জানিয়েছে, ইরান থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইরাক এবং সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। নেটো বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটি ধ্বংস করে দিয়েছে।
আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে ইরানে এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ইরান সরকারকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে এপি। ইরানি সরকারের দাবি, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এখনও পর্যন্ত ১,০৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের স্মরণসভা পিছিয়ে গেল। বুধবার স্থানীয় সময়ে সকাল ১০টায় ওই স্মরণসভা শুরু হওয়ার কথা ছিল তেহরানে। কিন্তু তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আধিকারিক সূত্রে ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম জানাচ্ছে, প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে এটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তেহরানের আকাশে ইজ়রায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়েছে এক ইরানি যুদ্ধবিমান। এমনটাই দাবি করছে ইজ়রায়েলি বাহিনী। তাদের দাবি, ইরানের একটি ওয়াইএকে-১৩০ যুদ্ধবিমানকে ধ্বংস করেছে ইজ়রায়েলের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান।
সামরিক সংঘাত শুরুর ১০০ ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের দু’হাজার জায়গাকে নিশানা বানিয়েছে তারা। শুধু তা-ই নয়, সে দেশের নৌসেনার একটি ডুবোজাহাজ-সহ মোট ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আবার দাবি করল আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একইসঙ্গে তারা দাবি করেছে, বি১, বি২ বম্বার দিয়ে ইরানের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ও করা হয়েছে।
হরমুজ় প্রণালী ‘সম্পূর্ণ দখল’ করে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করল ইরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড’ (আইআরজিসি) বাহিনী! সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই মাথায় হাত পড়েছে বিশ্বের অনেক দেশের। বর্তমানে হরমুজ় প্রণালীকে ঘিরে রয়েছে শ’য়ে শ’য়ে জাহাজ। না-এগোতে পারছে, না-পিছোতে। ইরানের জারি করা বিধিনিষেধের কারণে হরমুজ় প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্তব্ধ।