Mojtaba Khamenei

শারীরিক ভাবে ‘অক্ষম’! সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই মোজতবা, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার চিকিৎসা চলছে কুমে, দাবি রিপোর্টে

এক গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃত করে দ্য টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোজতবা ইরানেই আছেন। কুম শহরে তাঁর চিকিৎসা চলছে। শারীরিক ভাবে তিনি ‘অক্ষম’ হয়ে পড়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩০
Share:

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। ছবি: রয়টার্স।

ইরানের নুতন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই কোথায়? পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এই বিষয়টি নিয়ে নানা তত্ত্ব এবং দাবি ঘুরে বেড়াতে শুরু করেছে, তার মধ্যেই আরও একটি তথ্য প্রকাশ্যে এল মোজ়তবার অবস্থান এবং শারীরিক অবস্থা নিয়ে। এক গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃত করে দ্য টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোজতবা ইরানেই আছেন। কুম শহরে তাঁর চিকিৎসা চলছে। শারীরিক ভাবে তিনি ‘অক্ষম’ হয়ে পড়েছেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থা নেই তাঁর। আর এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই ইরানের নেতৃত্বের কাঠামো নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Advertisement

মার্কিন এবং ইজ়রায়েলি গোয়েন্দাদের ওই সূত্রকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘মোজতবা খামেনেইয়ের চিকিৎসা চলছে তেহরান থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে কুম শহরে। তিনি শয্যাশায়ী।’’ ইরানের ধর্মীয়প্রধান শহর কুম। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৫৬ বছর বয়সি মোজ়তবা প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করে হয়েছে, ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের কাজ এই কুমেই করা হবে। তাঁর স্মৃতিসৌধ তৈরির কাজও জোরকদমে চলছে বলে ওই সূত্রের দাবি। সেখানেই খামেনেই পরিবারের নিহত বাকি সদস্যদের সমাধিস্থ করা হতে পারে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন এবং ইজ়রায়েলি গোয়েন্দারা অনেক দিন আগেই মোজতবার অবস্থা সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন। কিন্তু বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল, সেই হামলায় আয়াতোল্লা আলি খামেনেই, তাঁর স্ত্রী এবং এক পুত্রের মৃত্যু হয়েছিল। ইরানের তরফে পরে দাবি করা হয়, ওই হামলায় গুরুতর জখম হন আয়াতোল্লার আর এক পুত্র মোজতবাও। আয়োতোল্লার মৃত্যুর পরে মোজতবাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে ঘোষণা করেছিল ইরান। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলার পর থেকে কখনও প্রকাশ্যে আসেননি মোজতবা। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় মোজতবার অবস্থান এবং শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তো ঘোষণাই করে দিয়েছিলেন যে, মোজতবা আর বেঁচে নেই। যদিও বেঁচে থাকেন, তা হলে চলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। মোজতবা কোথায়, তা নিয়ে নানা জল্পনার মধ্যে হঠাৎ বিভিন্ন সূত্রে খবর প্রকাশ্যে আসে, মোজতবাকে রাশিয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। যদিও মস্কো সেই দাবি নস্যাৎ করে। তবে মোজতবার শারীরিক অবস্থা এবং তাঁর গতিবিধি রহস্যের ঘেরাটোপে ছিল। তার মধ্যেই আবার প্রকাশ্যে এল, মোজতবা ইরানেই আছেন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। যদিও এ বিষয়ে ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement