Israel Hamas Conflict

গাজ়ায় সংঘর্ষবিরতির মধ্যেই হামাসের তৎপরতা, ভোটাভুটির মাধ্যমে নেতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাদের মধ্যে?

২০২৩-এর ৭ অক্টোবর সংঘর্ষ শুরুর পরে ইয়াহিয়া সিনওয়ার, ইসমাইল হানিয়া, মহম্মদ দেইফ, মারওয়ান ঈশা, সালে আল-অরৌরি, মহম্মদ সিনওয়ারের মতো শীর্ষস্তরের হামাস নেতারা নিহত হয়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৯
Share:

(বাঁ দিকে) খালেদ মেশাল এবং খলিল আল-হাইয়া (ডান দিকে)। ফাইল চিত্র।

গাজ়ায় ভূখণ্ডে ইজ়রায়েলি সেনার সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির মধ্যেই এ বার নতুন নেতা নির্বাচনের জন্য তৎপরতা শুরু করল প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। তবে প্রথা মেনে মনোনয়ন-প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নয়, সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এ বার পরবর্তী প্রধান নির্বাচন করবে ভোটাভুটির মাধ্যমে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা বিবিসি জানাচ্ছে, এ বার দলের শীর্ষ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই নেতা— খালেদ মেশাল এবং খলিল আল-হাইয়া। হামাসের একটি সূত্র জানাচ্ছে, প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠীটি সম্প্রতি নতুন ‘শুরা কাউন্সিল’ (মূলত ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে গঠিত পরামর্শদাতা পরিষদ) এবং রাজনৈতিক ব্যুরো গঠন করেছে। নেতা নির্বাচন হচ্ছে রাজনৈতিক ব্যুরোর শীর্ষপদের জন্য।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজ়রায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের হামলা এবং প্রতিক্রিয়া তেল আভিভের গাজ়া-অভিযান শুরুর পরে ইয়াহিয়া সিনওয়ার, ইসমাইল হানিয়া, মহম্মদ দেইফ, মারওয়ান ঈশা, সালে আল-অরৌরি, মহম্মদ সিনওয়ারের মতো শীর্ষস্তরের হামাস নেতারা নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সংঘর্ষবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে হামাস রাজনৈতিক জনভিত্তি তৈরির উপর জোর দিতে চাইছে বলে অনেকে মনে করছেন। হামাসের নিয়ম অনুযায়ী শুরা কাউন্সিলের সদস্যরা প্রতি চার বছর অন্তর হামাসের তিন শাখা—গাজ়া উপত্যকা, অধিকৃত ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক এবং সংগঠনের বৈদেশিক নেতৃত্ব থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে মনোনীত হন। এমনকি, ইজ়রায়েলের কারাগারে আটক হামাস বন্দীরাও ভোট দেওয়ার অধিকারী।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement