বাংলাদেশে স্বাগত। ছবি: এএফপি।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বৈদেশিক সম্পর্ক মজবুত করতে বিভিন্ন দেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তালিকায় এত দিন বাদ ছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্রটির নাম। এ বার পূর্ণ হল তা-ও। দু’দিনের সরকারি সফরে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১০ নাগাদ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিমান।
সফরের প্রথম দিনে সরকারি বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে আলাদা ভাবে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কিন্তু তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে এই বৈঠকেরও আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে দু’দেশের মধ্যে প্রত্যাশার পারদ তুঙ্গে। স্থল সীমান্ত চুক্তি, ছিটমহল বিনিময়-সহ চলতি সফরে সাক্ষরিত হবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। মহা গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি ঢাকায় পৌঁছেছেন।
প্রধানমন্ত্রীকে এ দিন স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছিলেন তিন বাহিনীর কর্তা-সহ একাধিক মন্ত্রী। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রথমে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং পরে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-শিলং-গুয়াহাটি বাস পরিষেবা ও কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। রাতে সোনারগাঁও হোটেলে তাঁর সম্মানে শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন নরেন্দ্র মোদী।
সকাল ঢাকা রওনা দেওয়ার আগে টুইটারে মোদি লেখেন, ‘বাংলাদেশে যাচ্ছি। এই সফর দুই দেশ ও জাতির বন্ধন সুদৃঢ় করবে। দুই দেশের মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে।’
আপাতত এই সফরের সাফল্যের দিকেই তাকিয়ে দু’দেশ।